Oath Ceremony
Bengal Liberty, ৯ মে:
আজ ২৫শে বৈশাখ। বাঙালির আবেগ আর রবীন্দ্র-স্মরণের পুণ্যলগ্নে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে তিলোত্তমা (Oath Ceremony)। দীর্ঘ এক দশকের অন্ধকার আর অপশাসনের অবসান ঘটিয়ে আজ বিগ্রেডের ঐতিহাসিক ময়দানে শপথ নিতে চলেছে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার আনুষ্ঠানিক পথচলা।

উপস্থিত থাকছেন ১৯ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব Oath Ceremony
আজকের এই মেগা অভিষেক অনুষ্ঠান কার্যত জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নবনির্বাচিত সরকারকে আশীর্বাদ দিতে বিগ্রেডের মঞ্চে উপস্থিত থাকছেন ১৯টি বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এছাড়াও থাকছেন বিপ্লব দেব, রেখা গুপ্ত সহ দিল্লির হেভিওয়েট নেতারা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই বিশাল উপস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, দিল্লির কাছে বাংলার গুরুত্ব এখন অপরিসীম।

নিরাপত্তার অলঙ্ঘ্য প্রাচীর ও নজরদারি
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে তিলোত্তমা আজ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে বিগ্রেড ময়দানকে ৩০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ৪০০০ সশস্ত্র পুলিশ কর্মীর পাশাপাশি এসপিজি (SPG) বাহিনীর কড়া নজরদারিতে রয়েছে গোটা এলাকা।
ড্রোন নজরদারি: আকাশপথে ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
স্নাইপার পজিশন: ময়দানের চারপাশের বহুতল ভবনগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশেষ নজরদারি দল ও স্নাইপার।
২ লাখ জমায়েত ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা
জানা যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বাংলা ও পাশের রাজ্যগুলি থেকে ২ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম হতে চলেছে। এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে ময়দানে প্রবেশের জন্য VIP, VVIP এবং সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা গেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উল্লেখ্য ১০ বছরের বঞ্চনা আর দুর্নীতির পাহাড় সরিয়ে আজ যে নতুন মন্ত্রিসভা দায়িত্ব নিচ্ছে, তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে।
পঁচিশে বৈশাখের সকালে শঙ্খধ্বনি আর ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত বিগ্রেড আজ এক নতুন ভোরের বার্তা দেবে।
