Bangladesh Contract with America
Bengal Liberty, নয়ন বিশ্বাস রকি
লেখক পরিচিতি: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সমাজসেবক, ঢাকা, ১৪ মে ২০২৬:
গণতন্ত্রের মূল কথা হলো জনগণের মতামতের প্রতিফলন(Bangladesh Contract with America) । নির্বাচন যদি চুক্তি, সংলাপ আর স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়, তাহলে ভয় কিসের? প্রশ্ন উঠছে—তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকার কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের প্রসঙ্গ এলে এতটা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে? বিগত দুই বছর আমরা শুনেছি ভারতকে চুক্তির মাধ্যমে সবকিছু দেওয়া হয়েছে কিন্তু তা বিগত দুই বছরে প্রমাণ করতে পারেনি ব্যর্থ এবং মিথ্যা বয়ান ছিল সুপরিকল্পিত মানুষকে বিভ্রান্ত করা আর কিছু নয় জাতির সাথে প্রতারণার শামিল এবং জাতিকে ভুল পথে পরিচালিত করা। বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারছে ভারত বাংলাদেশকে দিয়েছে বিনিময়ে কিছু নেয়নি। ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে ছিল এখনো আছে।

ভারতবিরোধী কথোপকথন (Bangladesh Contract with America)
কিন্তু বাংলাদেশের তথাকথিত মৌলবাদী উগ্রপন্থী সংগঠন তারা অযথা ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিয়ে আসছে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাহলে প্রশ্ন উঠেছে দেশে কি আইনের শাসন আদো আছে? কিন্তু যে পাকিস্তান বাংলাদেশের গণহত্যা চালিয়েছিল সেই পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক করতে গভীর আগ্রহী এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলে না তার মানে কি তারা আজও বাংলাদেশ চায়নি বাংলাদেশ মানেনি এরা স্বাধীনতা বিরোধী ওরা ভন্ড ওরা প্রতারক ধর্মব্যবসায়ী এদের বিষয়ে সাবধান থাকুন এবং আপনারা প্রিয় দেশবাসী বিবেচনা করুন। কার শাসনামল ভালো ছিল। আর বিগত সময়ে আপনারা কি পেয়েছেন?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি (Bangladesh Contract with America)
২০২৪ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য, শ্রমমান এবং সুশাসন নিয়ে যে চুক্তিগুলো হয়েছে, সেগুলোকে ঘিরে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব চুক্তির কিছু ধারা দেশের শ্রমিক স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমমান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের GSP সুবিধা পর্যালোচনার ঘটনাই তার প্রমাণ।
যদি সরকার সত্যিই যুক্তির পথে বিশ্বাসী হয়, তাহলে সংসদে আলোচনা, নাগরিক সমাজের মতামত এবং স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে চুক্তির ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক খতিয়ে দেখা উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সমালোচনা উঠলেই ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ তকমা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ১৭৬ সালে ব্রিটেনের সঙ্গে অসম চুক্তি বাতিল করেই স্বাধীনতার পথে হেঁটেছিল। ভারত ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে তেল চুক্তি পুনর্বিবেচনা করেছিল নিজস্ব স্বার্থে। তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না?

ভয় যদি সত্যিই থাকে, তবে সেটা যুক্তির কাছে নয়—জনগণের কাছে জবাবদিহিতার ভয়। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের উচিত সমালোচনাকে ভয় না পেয়ে তাকে সংশোধনের সুযোগ হিসেবে নেওয়া।
নির্বাচন যদি চুক্তির মাধ্যমে হয়, তাহলে নীতি-সিদ্ধান্তও চুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই হোক। জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি বাতিল বা সংশোধনে ভয় পাওয়া মানে, গণতন্ত্রকে ভয় পাওয়া। সময় এসেছে স্বচ্ছতা আর সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার।
আরও পড়ুন:
বিলাসবহুল প্রাসাদে পুলিশের হানা! ভাইরাল ভিডিয়ো বিতর্কে ‘বেপাত্তা’ বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক
