NIA Mothabari
Bengal Liberty, ২২ মে :
মোথাবাড়ি থেকে কালিয়াচক, প্ররোচনা আর উত্তেজনার আবহে এবার এনআইএ-এর কড়া স্ক্যানারে মোফাক্কেরুল ইসলাম (NIA Mothabari)! টোটোয় চেপে দেওয়া সেই ‘উস্কানিমূলক’ ভাষণই কি এবার কাল হতে চলেছে? জাতীয় সড়ক অবরোধ এবং জনতাকে উস্কানি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগে এবার মোফাক্কেরুল ও তাঁর সঙ্গী একরামুল বাগানির বিপদ আরও বাড়াল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। মোথাবাড়ির ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলামকে আরও একটি মামলায় যুক্ত করার আবেদন জানাল এনআইএ। শুধু নতুন মামলায় নাম যুক্ত করাই নয়, সেই বিতর্কিত ভাষণের সত্যতা প্রমাণে এবার খোদ নগর দায়রা আদালতে অভিযুক্তদের গলার স্বর বা ‘ভয়েস স্যাম্পেল’ পরীক্ষার জোরালো আবেদন জানাল কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা (NIA Mothabari)। এনআইএ-এর এই নয়া চালে স্পষ্ট, মোথাবাড়ির এই হাই-প্রোফাইল মামলায় তদন্তের জাল এবার আরও শক্ত হাতে গোটাচ্ছে দিল্লি!

ফাঁপরে মিম নেতা (NIA Mothabari)
মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসে বিচারকদের আটকে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল এনআইএ। সেই আবেদনে সায়ও দিয়েছিল কলকাতার নগর দায়রা আদালত। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী আকরামূল বাগানিকে এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফ থেকে। পরে ৩০ এপ্রিল এনআইএ-র বিশেষ আদালতে মোথাবাড়ি কাণ্ডের শুনানি হয়। সেখানে মোফাক্কেরুল ইসলামের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। ১৩ মে পর্যন্ত ফের জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেয় মোফাক্কেরুল-সহ ৫২ জনের। এনআইএ সূত্রে জানা গেছে, গোটা ঘটনার পরিকল্পনা, উস্কানি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির পিছনে মোফাক্কেরুল ও আকরামুলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সেই কারণেই তাঁদের সরাসরি জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আদালতে জানানো হয়। আদালত সেই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়েই হেফাজতে রাখার সময় বাড়িয়ে দেয়।

ঘটনার প্রেক্ষাপট (NIA Mothabari)
প্রসঙ্গত গত ১ এপ্রিল এসআইআরকে কেন্দ্র করে মালদহের মোথাবাড়িতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, সেই সময় সাতজন বিচারপতিকে দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসের ভিতরে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টের দোরগোড়ায়। এবং পরে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে গোটা ঘটনার তদন্তভার নেয় এনআইএ । কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তদন্ত যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক গ্রেপ্তারি এবং মামলার নথিভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘটনায় মোফাক্কেরুল-সহ ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় ১২টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে এনআইএর খাতায়।
