Student election
Bengal Liberty: অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস কর্মসূচিতেও ছাত্রভোট প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচন সংক্রান্ত ঘোষণা শোনার আশায় ছিল ছাত্রপরিষদের সদস্যদের একাংশ। কিন্ত ছাত্রদের সেই আশায় জল ঢেল দিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো।

তৃণমূলকে তোপ সৃজনের (Student election)
এসএফআইয়ের(SFI) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচাৰ্য বলেন,’ ছাত্র ভোট হতে দেবে না, এটা তৃণমূলের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত। কারণ তারা জানে ছাত্রভোট হলে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে টিএমসিপি(Tmcp)বিপদে পড়বে। এই ভয়ে ভোট হতে দিচ্ছে না রাজ্য।’
শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ষণ কাণ্ডের কথা মনে করিয়ে সৃজন বলেন, ‘ওরা চায় কলেজগুলোকে মনোজিৎ মিশ্রদের হাতে তুলে দিতে। সন্দীপ ঘোষেকে সর্বস্ব দিয়ে বাঁচানো যেমন তৃণমূলের সিদ্ধান্ত ছিল,তেমনই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নির্বাচন না-হতে দেওয়া একপ্রকার সিদ্ধান্ত তৃণমূলের।’
তৃণমূলের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়কে সৃজনের বক্তব্য, ‘কোর্টের কাছেও ধমকের পর ধমক খেয়ে চলেছে রাজ্য সরকার। কোনও কথাই কানে তোলেনি। এদের নামে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা উচিত।’
ছাত্র নির্বাচনের অপেক্ষায় কোহিনুরও (Student election)
মুখ্যমন্ত্রী ভোট সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা করার প্রসঙ্গে কোহিনুরের বক্তব্য, আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের অপেক্ষা করছি। বললেই আমরা ময়দানে লড়তে নেমে যাব। পাশাপাশি নাম করেই তৃণমুলের এসএফআইয়ের দিকে যুবনেতা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আমাদের যদি কালকে থেকে ভোটে লড়তে বলা হয়, তাহলে আমরা সন্ধ্যাবেলার মধ্যে সব কলেজে নমিনেশন জমা দিতে পারব। কিন্তু আমাদের উল্টোদিকের রাজনৈতিক দলগুলো কি তা পারবে?
আগামী মাসে আবার শুনানি হবে, সায়ান (Student election)
আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রভোট নিয়ে দায়ের করা মামলার আপডেট জানিয়ে বলেন, সামনের মাসে একটিদিন ধার্য হয়েছে এবং নভেম্বরে বাকি মামলার শুনানি হবে। একইসঙ্গে তৃণমূলের যুবনেতাদের কটাক্ষ করে বলেন, ‘ছাত্র পরিষদের সদস্যদের একাংশ চাইলেও, মাথারা চায় না ভোট হোক।’
