wb election 2026
Bengal liberty desk, 23 এপ্রিল :
Bengal liberty desk, 23 এপ্রিল : আজ বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার মেগা ভোটগ্রহণ। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল—সকাল থেকেই ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দুই ঘণ্টায় অর্থাৎ সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে গড়ে প্রায় ১৮.৭৬ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।

এক নজরে সকালের ভোটচিত্র wb election 2026
শীর্ষে রয়েছে জঙ্গলমহল। সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটদানের হারে সবাইকে টেক্কা দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর। সেখানে ২০.৫১ শতাংশ ভোট পড়েছে ।এর ঠিক পরেই রয়েছে বাঁকুড়া, যেখানে ভোটের হার ২০.২০ শতাংশ। প্রথম দু’ঘণ্টায় সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মালদহে, যার হার ১৬.৯৬ শতাংশ। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে ১৭.৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৯.১১ শতাংশ এবং বহরমপুরে ১৯.৮৮ শতাংশ।এছাড়াও
ঝাড়গ্রাম: ১৯.৮৪ শতাংশ
বীরভূম: ১৯.০১ শতাংশ
পশ্চিম বর্ধমান: ১৯.০০ শতাংশ
মুর্শিদাবাদ: ১৮.৮৮ শতাংশ
পূর্ব মেদিনীপুর: ১৮.৮১ শতাংশ
দক্ষিণ দিনাজপুর: ১৮.৮১ শতাংশ
দার্জিলিং: ১৮.৮০ শতাংশ
জলপাইগুড়ি: ১৮.৫০ শতাংশ
কালিম্পং: ১৮.৭৪ শতাংশ
পুরুলিয়া: ১৭.৮৩ শতাংশ
কোচবিহার: ১৭.৫৬ শতাংশ
উত্তর দিনাজপুর: ১৭.৫৪ শতাংশ

কেন এবার ভোটের হার এত বেশি?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবার ভোট শতাংশ ৯০-এর ঘর ছুঁয়ে ফেললেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এর পিছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করছে:
১. কমিশনের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিউ (SIR)-এর মাধ্যমে মৃত বা ভুয়ো ভোটারদের নাম ছেঁটে ফেলা হয়েছে। ফলে মোট ভোটারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের সমসংখ্যক মানুষ ভোট দিলেও শতাংশের হিসেবে তা অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
২. সচেতনতা ও আতঙ্ক রয়েছে মানুষের মধ্যে। বিপুল হারে নাম বাদ যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরণের সচেতনতা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এবার ভোট না দিলে হয়তো চিরতরে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ে যেতে পারে।
নিরাপত্তার কড়াকড়ি:
শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কমিশন নজিরবিহীন ব্যবস্থা নিয়েছে। মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি এবং অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এই বুথগুলোতে। প্রথম দফায় মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী লড়ছেন, যার মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় আরও বাড়বে বলেই আশা করছে কমিশন।
