Hair Fall
Bengal liberty, ১৬ ই মার্চ :
চুল পড়া সব সময়েই উদ্বেগের কারণ নয়(Hair Fall) । আমাদের চুলের গ্রোথের যে প্রাকৃতিক ‘সাইকল’ আছে, সেটি কিছু সময় অন্তর নতুন করে শুরু হয়, ফলে তাতে কিছুটা চুল ঝরে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু হঠাৎ অতিরিক্ত চুল পড়তে শুরু করলে তা লুকিয়ে থাকা কোনও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। এদের মধ্যে একটি সাধারণ অথচ উপেক্ষিত রোগ হল অ্যালোপেসিয়া। এই রোগ যেকোনো বয়েসে দেখা দিতে পারে।

কি এই অ্যালোপেসিয়া? (Hair Fall)
অ্যালোপেসিয়া মূলত একটি রোগ, যেখানে মাথার চুল পড়া অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। সব চেয়ে সমস্যার বিষয় হল যে কোনো মানুষ যে কোনো সময়ে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
রোগের লক্ষণ সমূহ :
অ্যালোপেসিয়া রোগের বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যায় –
১. মাথার কোনো নির্দিষ্ট অংশ থেকে গোল হয়ে চুল পড়ে যাওয়া।
২. নখের আকৃতিতে পরিবর্তন আসা।
৩. তীব্র মানসিক উদ্বেগ।
৪. হঠাৎ করে প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরা।
কিভাবে বাঁচবেন এই রোগের থেকে?
অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটার চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু ওষুধ আর ক্রিম রয়েছে যা চুলের পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
এ ছাড়াও কিছু ঘরোয়া প্রতিশেধক রয়েছে, যা চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে সেগুলো হল –

প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার (Hair Fall):
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় টক দই বা লেবু র মতো প্রোবায়োটিক খাবার রাখা অত্যন্ত জরুরি।
জিনসেং (Ginseng): এটি প্রদাহ কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।২০১২ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, লাল জিনসেং অ্যালোপেসিয়া প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে।
এসেন্সিয়ল অয়েলের ব্যবহার: –
ল্যাভেন্ডার অয়েল চুলের জন্য খুবই উপকারী। ল্যাভেন্ডার অয়েল চুলের ফলিকলের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও রোজ মেরি অয়েল চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে। এই তেলে চুল ও বাড়ে।
মানসিক চাপ এই রোগের একটি বড় অনুঘটক, তাই যোগব্যায়াম বা মেডিটেশনের মাধ্যমে স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করা উচিত।
আরও পড়ুন :
চুঁচুড়ায় প্রার্থী বদলের বড় ধাক্কা(Asit Mazumdar Left TMC): দেবাংশু আসতেই রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা ৩ বারের বিধায়ক অসিতের
