Phase 2 Voting
Bengal Liberty, ২৬ এপ্রিল :
মাত্র ২ দিন পর পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট (Phase 2 Voting)। আর এই দ্বিতীয় দফার ভোটকে কেন্দ্র করে সামনে এসেছে একের পর এক এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত। এবার ভোটকর্মীর ঘাটতি সামাল দিতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দিতে চলেছে। বাংলার ভোটের ইতিহাসে বুথ পরিচালনায় কেন্দ্রীয় স্তরের এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর সরাসরি অংশগ্রহণ শেষ কবে দেখা গিয়েছিল তা কেউই মনে করতে পারছেন না। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নির্বিঘ্ন পরিচালনা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ (Phase 2 Voting)।

সংকট মেটাতে কমিশনের বিকল্প কৌশল (Phase 2 Voting)
দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন বাধ্য হয়েই এই বিশেষ ব্যবস্থার পথে হাঁটছে বলে সূত্রের খবর। ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোটপর্ব সম্পন্ন হয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়ে এসে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে দায়িত্বে বসানো হচ্ছে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কয়েক হাজার কর্মীকে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছে দেওয়া, তাঁদের প্রশিক্ষণ ও সমন্বয় বজায় রেখে ভোট পরিচালনা করা, পুরো প্রক্রিয়াটাই প্রশাসনের কাছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে তা স্পষ্ট (Phase 2 Voting)।

সূত্রের দাবি, এই ১৬ হাজার ভোটকর্মীর প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কর্মচারী। সাধারণত ভোট পরিচালনার দায়িত্বে রাজ্য সরকারি কর্মীরাই থাকেন, কিন্তু এবার সেই প্রচলিত ধারা থেকে অনেকটাই সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও কেন্দ্রীয় কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই বদলকে অনেকেই একেবারে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এমন ব্যাপক হারে কেন্দ্রীয় কর্মীদের সরাসরি যুক্ত করার নজির কার্যত নেই বললেই চলে।
