re-poll
Bengal Liberty, ৩০ এপ্রিল:
ভোটের দিন ফলতা থেকে মগরাহাট একাধিক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দফায় দফায় অশান্তি ও ইভিএম কারচুপির অভিযোগ জমা পড়েছিল কমিশনের দপ্তরে। বিশেষ করে ভোটযন্ত্রের বোতামে আঠা বা আতর লাগিয়ে ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কমিশন। সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন বা ‘রিপোল’ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। re-poll

স্ক্রুটিনি শেষে কমিশনের কড়া অবস্থান re-poll
ভোটের দিন থেকেই ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুরের বিভিন্ন বুথ থেকে অশান্তির খবর আসছিল। রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে ইভিএম বিকল করা এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকাল রাতভর স্ক্রুটিনি চালান বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে। পর্যবেক্ষকের পাঠানো প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই আজ ১৫টি বুথে রিপোলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।

যেসব বুথে হতে পারে পুনর্নির্বাচন
কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার তিনটি বিধানসভা এলাকায় রিপোলের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
ডায়মন্ড হারবার:এই কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত মিলেছে।
মগরাহাট পশ্চিম: এখানে সবথেকে বেশি অর্থাৎ ৬টি বুথে রিপোল হতে পারে।
ফলতা:এই বিধানসভা কেন্দ্রের ৫টি বুথে নতুন করে ভোট নেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য বিজেপি ফলতার প্রতিটি বুথেই পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল। তবে স্ক্রুটিনি রিপোর্ট এবং ইভিএম-এর বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখেই কমিশন নির্দিষ্ট এই বুথগুলির তালিকা তৈরি করেছে বলে সূত্রের খবর।
ইভিএম-এর বর্তমান অবস্থা এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ডায়েরি খতিয়ে দেখে আজ বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রিপোলের তারিখ ঘোষণা করতে পারে কমিশন। যে ১৫টি বুথে যান্ত্রিক কারচুপি ও অনিয়ম ধরা পড়েছে, সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা এবং কড়া নজরদারিতে ভোট করানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪ মে-র মহারণ! কড়া নিরাপত্তায় খুলবে ২৯৪ আসনের ভাগ্যের ফলাফল, কতোটা কঠোর নিরাপত্তা?
