sujit basu
Bengal Liberty, ১ মে:
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি (sujit basu) দপ্তরে হাজিরা দিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। হাইকোর্টের নির্দেশে কার্যত কোণঠাসা হয়েই আজ তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে।

আইনি চাপে নতিস্বীকার sujit basu
আদালতের নির্দেশ ছিল সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের মধ্যে হাজিরা দেওয়ার। ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১০টা ২৬ মিনিট, ঠিক চার মিনিট আগেই সিজিও কমপ্লেক্সে প্রবেশ করেন মন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুত্র সমুদ্র বসু ও দুই আইনজীবী। এর আগে এই মামলায় সুজিত বসুকে তিনবার নোটিশ পাঠানো হলেও এবং তাঁর বাড়িতে দু-দুবার তল্লাশি চললেও, এই প্রথম তিনি সশরীরে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের মুখোমুখি হলেন।

ভোটের প্রচার বনাম ইডির তলব
রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে যখন ইডি তাঁকে তলব করেছিল, তখন তিনি ভোট প্রচারের কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। ইডি-কে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, “প্রার্থী হিসেবে আমি প্রচারে ব্যস্ত, বারবার নোটিশ দিয়ে আমাকে হেনস্থা করা হচ্ছে।” তিনি আবেদন করেছিলেন যেন মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাঁকে ডাকা হয়। কিন্তু ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই, মে মাসের পয়লা তারিখেই তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হলেন।
তদন্তের কেন্দ্রে দক্ষিণ দমদম পুরসভা
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) সূত্রে খবর, সুজিত বসুর বাড়ি ছাড়াও তাঁর ছেলে সমুদ্রের রেস্তোরাঁ, হোটেল ও পাবে তল্লাশি চালিয়ে পুর নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইডির দাবি, দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড়সড় বেআইনি লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই মন্ত্রীকে তলব করা হয়েছে। এর আগে তাঁর স্ত্রী, কন্যা এবং প্রাক্তন জামাতাকেও এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
নিয়োগ দুর্নীতির উৎস ও অয়ন শীল যোগ
পুর নিয়োগ দুর্নীতির এই জট খোলে মূলত এসএসসি (SSC) নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলাকালীন। সিবিআই যখন অয়ন শীলকে গ্রেপ্তার করে, তখন তাঁর অফিস থেকে প্রচুর ওএমআর শিট ও নথি উদ্ধার হয়। সেখান থেকেই জানা যায় যে, অয়নের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় ১৬টি পুরসভায় নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামে ইডি, যার সূত্র ধরেই আজ মন্ত্রীর এই হাজিরা
