Tiljala fire Incident
Bengal Liberty, ১৪ মে :
তপসিয়ার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বারংবার প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে (Tiljala fire Incident)। প্রাথমিক তদন্তে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করা, নিয়মিত নজরদারি এবং পরিদর্শনে একাধিক ত্রুটির ইঙ্গিত মিলতেই প্রগতি ময়দান ফায়ার স্টেশনের অফিসার-ইন-চার্জ গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেসের ডিরেক্টর জেনারেলের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়। গত ১২ মে তপসিয়ার গোলাম জিলানি খান রোডের একটি কারখানায় ভয়াবহ আগুনে ২ জনের মৃত্যু এবং একাধিক মানুষ আহত হওয়ার ঘটনার পর থেকেই শহরের বিভিন্ন কারখানা ও বাণিজ্যিক এলাকায় অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই আবহেই সাসপেন্ড করা হল প্রগতি ময়দান ফায়ার স্টেশনের ওসিকে (Tiljala fire Incident)

তপসিয়া কাণ্ডের তদন্তে উঠে আসছে গাফিলতির অভিযোগ (Tiljala fire Incident)
দমকল সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মে তপসিয়ার গোলাম জিলানি খান রোডের একটি কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী।ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ওই কারখানায় অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা আদৌ ঠিকমতো ছিল কি না। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এলাকায় নিয়মিত নজরদারি, নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করা এবং পরিদর্শনের ক্ষেত্রে একাধিক ত্রুটি থাকতে পারে। দমকল দফতরের তরফে অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অগ্নি-নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার ক্ষেত্রে গাফিলতি হয়েছে। এই কারণেই বিভাগীয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রগতি ময়দান ফায়ার স্টেশনের ওসি গৌতম দাসকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কী নির্দেশ দিল দমকল দফতর? (Tiljala fire Incident)
সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সাসপেনশন চলাকালীন গৌতম দাসকে ফায়ার সদর দফতরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তিনি সদর দফতর ছাড়তে পারবেন না। নিয়ম অনুযায়ী তিনি ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পাবেন বলেও জানানো হয়েছে। দমকল দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে কারখানার অগ্নি-নিরাপত্তা শংসাপত্র ছিল কি না, জরুরি নির্গমন ব্যবস্থা কার্যকর ছিল কি না, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ঠিকভাবে কাজ করছিল কি না এবং স্থানীয় দমকল কর্তাদের ভূমিকা কতটা দায়ী।
