TMC helpline controversy
Bengal Liberty: রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগকে সামনে রেখে এবার আক্রান্ত ও বাড়িছাড়া দলীয় কর্মী-সমর্থকদের জন্য বিশেষ হেল্পলাইন চালু করল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া সেলের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব কর্মী বা সমর্থক ভোটের পর হুমকি, আক্রমণ কিংবা বাড়িছাড়া হওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর, ইমেল ও গুগল ফর্মের মাধ্যমে অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

ভোট-পরবর্তী হিংসা ইস্যুতে নতুন রাজনৈতিক সংঘাত (TMC helpline controversy)
তৃণমূলের দাবি, নির্বাচনের পর একাধিক এলাকায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই কারণেই দ্রুত আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা পৌঁছে দিতে এই ডেডিকেটেড হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। দলের বার্তায় বলা হয়েছে, “যারা দিন-রাত দলের হয়ে লড়াই করছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।” তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় যে মাত্রায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, তার তুলনায় ২০২৬ সালের পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি ও প্রশাসনিক তৎপরতায় এবারের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনা তুলনামূলকভাবে অনেক কম বলেই দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
Bidhan Sabha: স্বচ্ছতা বাড়াতে লাইভ হবে বিধানসভার কার্যক্রম@SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCofficial @bengalliberty1 #westbengallegislativeassemblyelection2026 #westbengal #westbengalnews #bidhansabha #bengalliberty pic.twitter.com/qpX6C6hmtj
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 15, 2026

হিংসার অভিযোগে ফের মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি (TMC helpline controversy)
২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী অশান্তিতে বহু বিরোধী কর্মীর মৃত্যু ও বাড়িছাড়া হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, যা জাতীয় রাজনীতিতেও বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।এই আবহেই বিধানসভা অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে সরব হন বিরোধী দলনেতা তথা মমতা সঙ্গী তৃণমূল নেতা শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় । বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি কর্মীদের তরফে তৃণমূলের বহু কর্মী আক্রান্ত ও বাড়িছাড়া হয়েছেন, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, “যারা সত্যিই আক্রান্ত বা বাড়িছাড়া হয়েছে, তদন্তে তা প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যদি দেখা যায়, অভিযোগকারী ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত ছিলেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে।”
