R G Kar case
Bengal liberty desk, 19 মে ,কলকাতা:
আর জি কর হাসপাতালের অভিশপ্ত সেই সেমিনার হল নিয়ে ফের বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (R G Kar case)। দু’বছর আগের সেই স্মৃতি উসকে মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, তদন্তের স্বার্থে দ্রুত অকুস্থল বা ক্রাইম সিন পুনরায় সিল করতে হবে সিবিআইকে।

কী জানাল আদালত? R G Kar case
রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর নতুন করে খুলতে শুরু করেছে ‘অভয়া’ ফাইল। এদিন শুনানির সময় আদালত সিবিআই-এর কাছে জানতে চায়, তদন্তের সময় তারা ঠিক কোন কোন জায়গা সিল করেছিল। সিবিআই শুধু সেমিনার হলের কথা জানালে আদালত প্রশ্ন তোলে— অন্য কোনও জায়গা কি সিল করার প্রয়োজন পড়েনি? এরপরই আদালতের নির্দেশ, “শুধুমাত্র সেমিনার হল নয়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের চেম্বার এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে এমন সমস্ত সন্দেহজনক জায়গা দ্রুত সিল করতে হবে। কোনোভাবেই যাতে তথ্যপ্রমাণ বা ক্রাইম সিনের কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে সিবিআইকে।”

পুনরায় তদন্তের সম্ভাবনা?
নির্যাতিতার পরিবারের তোলা ৩৮টি প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে করা মামলার শুনানিই সবার আগে করা হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। এমনকি সিবিআই কেন এই ঘটনায় পুনরায় তদন্ত বা ‘Re-investigation’ করবে না, তা-ও খতিয়ে দেখবে আদালত। এদিন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজাকে ভার্চুয়ালি একাধিক কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।
শুভেন্দু সরকারের বড় পদক্ষেপ:
মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই অভয়া কাণ্ডের তদন্তে গতি এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের তৎকালীন তিন প্রভাবশালী আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কাদের নির্দেশে সেদিন নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বা ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তার কল রেকর্ড ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখা হবে।
আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২১ মে দুপুর ২টোর সময় এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ওইদিন সিবিআই অফিসার সীমা পাহুজাকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আর জি করের ঘটনায় নতুন করে তদন্তের এই নির্দেশ সাধারণ মানুষের মনে আবার বিচারের আশা জাগিয়ে তুলল।
