abhisekh banerjee
Bengal Liberty, kolkata:
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দায়ের করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মামলা এবং রক্ষাকবচ মামলায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের। উস্কানিমূলক মন্তব্যকে ঘিরে বিচারপতির কড়া জবাবের মুখে অভিষেক ব্যানার্জী (Abhishek Banerjee Highcourt)। এখনই কোন কড়া পদক্ষেপ নয় তবে অভিষেককে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টের। অর্থাৎ রক্ষাকবচ দিয়েও কড়া নির্দেশ জারি। ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড কিন্তু ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন ও খারিজ হয়। মোট ৭ দফা নির্দেশ জারি করেছেন আদালত (Abhishek Banerjee Highcourt)।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী –
– তদন্তে সহযোগিতা বাঞ্চনীয়।
– হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না .
– এই মুহূর্তে শ্রীঘরে রাখার কোন প্রয়োজন নেই
– সত্য উদ্ঘাটনে তদন্তকারী অফিসারকে তদন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
– পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে
– দেশ ছাড়তে পারবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
– তদন্তে কোনো প্রকার বিরোধিতা করলে আদালতকে জানাতে পারবে পুলিশ।

বিচারপতির বাক্যবাণে বিদ্ধ কল্যাণ ব্যানার্জী
আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় অভিষেক ব্যানার্জীর তরফে থেকে জানান,” মামলাকারি তিন বারের সাংসদ। রাজ্যের ক্ষমতা বদলের পর এই অবস্থা। তিনি পার্টির উচ্চ পদে আছেন। AITC দলের অল ইন্ডিয়া জেনারেল সেক্রেটারি পদে আছেন।” ঠিক এর পরেই বিচারপতির তীক্ষ্ণ প্রশ্ন কল্যাণ ব্যানার্জীর উদ্দেশ্যে , ” অল ইন্ডিয়া জেনারেল সেক্রেটারি এবং সাংসদ, তিনি কেন এমন মন্তব্য করেছেন? নির্বাচনে আগে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার মানে কী? যদি তৃণমূল ক্ষমতায় চলে আসত তাহলে কী হত? সংবাদপত্রে, টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে যে তিনি কী বলেছেন? এটা মামলাকারীর স্ট্যাটাসের সঙ্গে মেলে?”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় আদালতের কাছে আবেদন করেন,” মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ কিছু ঘটেনি। সেটাকে গ্রাহ্য অপরাধ ধরা যায় না।” জবাবে বেঞ্চ প্রত্যুত্তর দেয় ,” এটা তো মানতে হবে যে সাংসদ এমন মন্তব্য কীভাবে করেন! যেটা নিয়ে আদালত ভাবছে।”
বর্তমানে আদালত সংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ না নিলেও তদন্ত জারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
