fir filed at shakespeare sarani police station against central agency
Bengal Liberty: কলকাতায় IPAC কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) তল্লাশি অভিযান ঘিরে এবার আইনি মাত্রা যোগ হল। শেক্সপিয়র সরণি থানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি FIR (First Information Report) দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ED ও CRPF (Central Reserve Police Force) আধিকারিকদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, (ED raids IPAC)
এই FIR প্রক্রিয়া বেশ কিছু সময় ধরেই চলছিল, যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত লালবাজারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি (Official Statement) প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে মোট দু’টি FIR রুজু হয়েছে—একটি পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগ এবং অন্যটি IPAC কর্ণধার প্রতীক জৈনের পরিবারের পক্ষ থেকে।
পুলিশের করা FIR-এ একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রথমত, শেক্সপিয়র সরণি থানাকে আগাম না জানিয়ে (Without Prior Information) তল্লাশি অভিযান (Search and Raid) চালানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট বাসভবনে অবৈধ প্রবেশ (Unauthorised Entry) হয়েছে বলে দাবি। তৃতীয় অভিযোগ অনুযায়ী, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা সন্ধ্যার পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে অজ্ঞাতপরিচয় CRPF আধিকারিকরা তাঁদের কাজে বাধা (Obstruction of Duty) দেন এবং শারীরিকভাবে হস্তক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ।
পুলিশের মতে, এই অভিযোগের কয়েকটি ধারা জামিন অযোগ্য অপরাধ (Non-Bailable Offences)-এর আওতায় পড়তে পারে। পাশাপাশি, হুমকির অভিযোগ ও FIR-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রতীক জৈনের পরিবারের তরফে দায়ের হওয়া অভিযোগে বেআইনি ভাবে আটকে রাখা এবং অনধিকার প্রবেশ-এর মতো অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ৭টা নাগাদ প্রথমে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে IPAC-এর অফিসে (IPAC Office, Sector V) পৌঁছয় ED-র একটি দল (ED Team)। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই, সকাল ৭টা ১০ নাগাদ আরেকটি দল লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের আবাসনে (Loudon Street Residence) পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। বহুতলের চারতলায় অবস্থিত ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে এই অভিযান চলে।
এই তল্লাশির মধ্যেই সকাল ১১টা ৫৫ নাগাদ লাউডন স্ট্রিটে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Kolkata Police Commissioner Manoj Verma)। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন (Additional Police Deployment) করা হয়।
উল্লেখ্য, এই গোটা ঘটনাক্রম ঘিরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা এবং পুলিশের অভিযোগ—দু’দিকই এখন তদন্তাধীন (Under Investigation)। FIR-এর ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ (Legal Action) কী হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (Final Decision) জানানো হয়নি।
