Left Congress Alliance, ধর্ম-নিরপেক্ষ বাম গণতান্ত্রিক জোট ২৬-এ এসে যে রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়ল।
Bengal Liberty: কংগ্রেস পাত্তা দিচ্ছে না। তা-সত্ত্বেও হাত শিবিরকে ছাড়তেও নারাজ বামেদের একাংশ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের (Left Congress Alliance) সঙ্গে আলোচনার দরজা খুলে রেখেই বামফ্রন্ট ‘বাইপার্টি’ বৈঠকের ডাক দিয়েছে। ফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে CPIM এককভাবে বসে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা করবে। আসলে, আলিমুদ্দিন নেতৃত্ব জানতে চান, শরিকরা কোন কোন আসন চাইতে পারে বা চাইছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জোট নিয়ে কংগ্রেসের মনোভাব দেখবে ফ্রন্ট। ততদিন শরিকদের সঙ্গে কথা বলে কাজ কিছুটা এগিয়ে রাখতে চান বিমান বসু।
কংগ্রেসে বাম শরিকদের হ্যাঁ-না (Left Congress Alliance)
প্রতিবারের মতো এবারও কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে RSP, ফরওয়ার্ড ব্লক ভাবিত নয়। বরং, এই দুই শরিক ফ্রন্ট বহির্ভূত বামপন্থী দলগুলোকে এক ছাতার নিচে আনার পক্ষে সওয়াল করছে। অন্যদিকে, আরেক ফ্রন্ট শরিক CPI কংগ্রেসের সঙ্গে জোট যেতে আপত্তি প্রকাশ করছে না বলে খবর।
ধর্ম-নিরপেক্ষ বাম গণতান্ত্রিক জোট ফেল করল (Left Congress Alliance)
বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে কংগ্রেস একলা চলো নীতিতে অবস্থান করছে। আলিমুদ্দিন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বিধান ভবনে ফোন করে কংগ্রেসের চূড়ান্ত মতামত নেবেন। তারপর, হাত শিবিরের জবাবের প্রেক্ষিতে বামেরা আসন্ন বিধানসভার আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছবে। প্রয়োজনে, বামফ্রন্টের বাইরে থাকা বাম দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।

পরবর্তী বামফ্রন্টের বৈঠক হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। সেখানেই আসন্ন নির্বাচনের আসন সমঝোতা নিয়ে ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হবে। ১৮ সেপ্টেম্বরের আগে যদি কংগ্রেস জোট নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট মতামত পেশ না-করে, তা-হলে বাম আর হাত শিবিরের সঙ্গে নির্বাচনী পথে হাঁটবে না।
এদিকে ISF-ও একাধিক ইসলামিক, দলিত এবং আদিবাসী দলকে সামনে রেখে ‘কনস্টিটিউশন প্রোটেকশন ফোরাম’ নামে জোট তৈরি করে ফেলেছে। জানা যাচ্ছে, এই জোট তৈরি পর নওশাদের সঙ্গে বামেদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নওশাদ আদৌ বামেদের হাত ধরবে কি-না, সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অর্থাৎ, ২০২১-এ গঠন হওয়া ধর্ম-নিরপেক্ষ বাম গণতান্ত্রিক জোট ২৬-এ এসে যে রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়ল, তা-আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
