medical college student death
Bengal Liberty, Kolkata:
রাজ্যের অন্যতম মেডিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হস্টেলেই পচাগলা দেহ! নিরাপত্তা, নজরদারি ও প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়ে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। কল্যাণী কলেজ অফ মেডিসিন ও জেএনএম হাসপাতাল-এর বয়েজ হোস্টেলের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ।
কী ঘটেছে? medical college student death
পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্র পুলক হালদার ছিলেন ফাইনাল ইয়ারের এমবিবিএস পড়ুয়া। শেষবার ২০ ফেব্রুয়ারি কলেজ ক্যান্টিনে সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। এরপর থেকে সে হোস্টেলে নিজের ঘরেই ছিলেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।
তবে গত তিন দিন ধরে তাঁর ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। সহপাঠীরা প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। তবে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ সকালে হোস্টেল চত্বরে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে সন্দেহ তৈরি হয়। ক্যান্টিন সংলগ্ন ওই করিডর থেকেই গন্ধ আসছে বুঝতে পেরে কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশি তৎপরতা medical college student death
এই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। এবং ঘরের ভিতর থেকে পুলকের পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জোর করে ঢোকার চিহ্ন মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। এমনকি ঘরের ভিতরে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি।
পরীক্ষার চাপে মৃত্যু? medical college student death
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, সামনে ফাইনাল ইয়ারের গাইনি ও জেনারেল সার্জারি পরীক্ষা ছিল। সহপাঠীদের দাবি, পরীক্ষা নিয়ে ওই ছাত্র মানসিক চাপে ছিল। সম্প্রতি মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নিয়েছিলেন বলে খবর। তবে তিনি নাকি খুব কম বাইরে বেরোতেন এবং কারও সঙ্গে বেশি কথা বলতেন না।
পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে এই ঘটনায় হোস্টেলের নিরাপত্তা ও প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
