HC Seeks 200 Judges for SIR
Bengal Liberty Desk, কলকাতা:
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতি মেটাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল কলকাতা হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর, আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে ১০০ জন করে মোট ২০০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিক (Judicial Officers) চেয়ে পাঠিয়েছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (HC Seeks 200 Judges for SIR)
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই নির্দেশ দিয়েছেন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে আস্থার অভাব মেটাতে বিচার বিভাগীয় নজরদারিতেই এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চালানো হবে। ভিনরাজ্যের এই বিচারকদের যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ বহন করবে নির্বাচন কমিশন (ECI)।

বর্তমান পরিস্থিতি ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ (HC Seeks 200 Judges for SIR)
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আদালত থেকে ৫৩২ জন বিচারক এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৭৩ জন সরাসরি কাজ শুরু করেছেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার অনুমতি পেয়েছে নির্বাচন কমিশন।যাঁদের তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে, তাঁদের শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নামগুলো ‘সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট’ বা পরিপূরক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (HC Seeks 200 Judges for SIR)
আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত। বৈঠকেই ভিনরাজ্যের বিচারকদের যুক্ত করে কাজের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
হাইকোর্টের বৈঠকে আরও উঠে এসেছে, ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির সংখ্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেটিই চূড়ান্ত হিসেবে ধরা হবে। সেই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি অবিলম্বে কমিশনকে জানাতে হবে। প্রতিদিন সমস্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের কাজের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত রিপোর্ট তৈরি করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সেই রিপোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক হবে এবং নিয়মিত হাইকোর্টে জমা দিতে হবে।
