Tumpa Koyal joins BJP
Bengal Liberty, Kolkata: ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল ও বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে ময়দান গরম করেছে। ঠিক এই আবহেই বড় রাজনৈতিক বার্তা দিল কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল। দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পথ ছেড়ে এবার সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামতে চাইছেন তিনি। সূত্রের খবর, বিজেপির হয়ে নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সাথে যোগাযোগও করেছেন টুম্পা।

বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন টুম্পা কয়াল? (Tumpa Koyal joins BJP)
কামদুনির প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শুধুমাত্র আন্দোলন করে আর পরিবর্তন আনা সম্ভব নয় রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজন। সেই কারণেই এবার তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে লড়াই করতে চান।
তার কথায়, গত ১২ বছর ধরে আন্দোলনের মধ্যে থেকে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া সেই আন্দোলনের শক্তি সীমিত। তাই এবার তিনি সংগঠিত রাজনৈতিক মঞ্চ থেকেই মানুষের জন্য লড়াই চালাতে চান।
Suvendu: যেখানে খুশি যেতে পারেন, নাম থাকবে না | West Bengal News | Bengal Liberty#SuvenduAdhikari #sirwestbengal #sirnews #WestBengalElection #BengalLiberty pic.twitter.com/hnpYQpwbdD
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 21, 2026
নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন টুম্পা (Tumpa Koyal joins BJP)
প্রার্থী হওয়া নিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। টুম্পা বলেন, “রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে চাই। সেজন্যেই দাদার (শমীক ভট্টাচার্য) সাথে কথা বললাম। দু-তিন দিনের মধ্যেই আমি বিজেপিতে জয়েন করে যাব। তারিখটা পরে জানিয়ে দেবো। আমি চাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে। রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে।” বিজেপির টিকিটে দাঁড়াবেন টুম্পা? এমন প্রশ্নের উত্তরে কামদুনির মেয়ে জানিয়েছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছি। বলতে গেলে একেবারে শেষের মুখে। আমি জানিনা দল কী করবে এখন। তবে দলের তরফে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমি সেটাই মেনে নেব।

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ (Tumpa Koyal joins BJP)
তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে মানুষের আস্থা কমছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের অভাব রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এই মন্তব্যে পরোক্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী র প্রশাসনকেই নিশানা করেছেন টুম্পা। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের পুলিশ রাজ্যের কথায় চলে। তাঁদের পুলিশ মন্ত্রী যেমন নির্দেশ দেবেন তেমনভাবেই চলবেন। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী যা বলেছেন… রাজ্যের পুলিশ সেভাবে আমাদের কাজ করেননি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম 2013 সাল থেকে। আজও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যারা দোষী, ধর্ষণকারী তাদেরকেই সাপোর্ট করে রাজ্যের পুলিশ। উল্টে তাদের সুরক্ষা দেয়।”
আন্দোলনের মঞ্চ থেকে রাজনীতির অঙ্গন, টুম্পা কয়ালের এই সিদ্ধান্ত শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং ভোটের আগে বড় রাজনৈতিক ইঙ্গিত। এখন দেখার, বিজেপি তাকে প্রার্থী করে কী না এবং এই পদক্ষেপ রাজ্যের নির্বাচনী সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে।
