Narendra Modi
Bengal Liberty, ৪ মে :
২০৪টি আসনের বিশাল লিড নিয়ে যখন বিজেপির জয় নিশ্চিত, ঠিক তখনই দিল্লির সদর দফতরে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ (Narendra Modi )। কোনো গেরুয়া পাঞ্জাবি বা কোট নয়, বরং খাঁটি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ধুতি ও পাঞ্জাবি পরে সদর দফতরে পৌঁছোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি পোশাক নয়, বরং বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অন্তহীন শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ এবং তৃণমূলের তথাকথিত ‘বাঙালি আবেগ’ নিয়ে রাজনীতির গালে এক সপাট চর (Narendra Modi )।

সমাজমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা (Narendra Modi )
বিজেপি দফতরে পৌঁছানোর আগেই প্রধানমন্ত্রী সমাজমাধ্যমে বাংলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই।”
पश्चिम बंगाल में कमल खिल उठा है!
वर्ष 2026 के पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव अविस्मरणीय रहेंगे। जनशक्ति की जीत हुई है और भाजपा के सुशासन की राजनीति को यहां के लोगों का भरपूर आशीर्वाद मिला है। इस ऐतिहासिक विजय के लिए बंगाल के अपने भाई-बहनों का हृदय से आभारी हूं।
जनता-जनार्दन ने…
— Narendra Modi (@narendramodi) May 4, 2026
সংস্কৃতির লড়াই: উপেক্ষা বনাম ঐতিহ্য (Narendra Modi )
বিগত এক দশক ধরে তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে কেবল ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করতে গিয়ে বিশেষ একটি সম্প্রদায়কে নিয়ে মাতামাতি করেছে এবং বাঙালির আসল ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করেছে আজ মোদি যেন তার পাল্টা জবাব দিলেন। যেখানে শাসক দল কেবল তোষণের রাজনীতিতে ব্যস্ত ছিল, সেখানে প্রধানমন্ত্রী দিল্লির মঞ্চে বাঙালির চিরাচরিত সাজে উপস্থিত হয়ে বুঝিয়ে দিলেন, আসল ‘বাঙালি সংস্কৃতি’ বিজেপির হাতেই সুরক্ষিত।

সদর দফতরে উৎসবের মেজাজ (Narendra Modi )
আজ প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর আগেই সদর দফতরে পৌঁছেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। মোদি মঞ্চে ওঠার সাথে সাথে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে দিল্লি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বাংলার ঐতিহাসিক জয় নিয়ে বক্তৃতা শুরু করবেন। নবান্ন দখলের এই চূড়ান্ত লগ্নে প্রধানমন্ত্রীর এই সাজ বাঙালি ভোটারদের মনে এক অনন্য জায়গা করে নিল। এই মুহুর্তে সকল মহলের নজর এখন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের দিকে।
