oath ceremony
Bengal Liberty, ৬ মে :
তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূলের স্বৈরাচারী সাম্রাজ্য। বাংলার লাল মাটিতে এখন শুধু গেরুয়া আবিরের দাপট। ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী ৯ই মে, শনিবার সকাল ১০টায় কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত হতে চলেছে রাজকীয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। oath ceremony

ব্রিগেড কাঁপিয়ে শপথ oath ceremony
পরিবর্তনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সাক্ষী থাকতে কলকাতায় আসছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।

কেন রাজভবন নয়, ব্রিগেডকে বেছে নিল বিজেপি?
সাধারণত রাজভবনের অন্দরে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হলেও, বিজেপি এবার জনতাকে সাথে নিয়ে এই অনুষ্ঠান করতে চাইছে। দলীয় সূত্রে খবর, বাংলার মানুষ যে ভাবে রেকর্ড ভোট দিয়ে তৃণমূলের ‘অপশাসন’ উপড়ে ফেলেছে, তার সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড হবে সেই পরিবর্তনের সাক্ষী, যা আগামী দিনে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার দিশা দেখাবে।
তৃণমূলের পতন ও এক নতুন ভোরের সূচনা
সোমবার ফল প্রকাশের পর থেকেই বাংলা জুড়ে তৃণমূলের সিন্ডিকেট আর কাটমানি রাজের অবসান হতে শুরু করেছে। ২০৭টি আসনে জিতে বিজেপি বুঝিয়ে দিয়েছে, সাধারণ মানুষ আর তৃণমূলের ‘পিসি-ভাইপো’র প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে বরদাস্ত করতে রাজি নয়। ৮০টি আসনে গুটিয়ে যাওয়া তৃণমূলের জন্য ৯ই মে-র এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আসলে এক চূড়ান্ত রাজনৈতিক পরাজয়ের দলিল।
প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনের খবরে ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক স্তরে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শুধু দলের কর্মীরাই নন, বরং সাধারণ মানুষের জন্য অবারিত দ্বার রাখা হচ্ছে। বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আগেই জানিয়েছেন, এই সরকার হবে সাধারণ মানুষের সরকার, তাই শপথও হবে মানুষের সামনেই।
