Central forces in Falta
Bengal Liberty: ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল। নির্বাচন কমিশন তৃতীয়বারের জন্য উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central forces in Falta)। ইতিমধ্যেই এলাকায় রুট মার্চ শুরু করেছে বাহিনী, যাতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফেরানো যায়।গত কয়েক দফার ভোটকে কেন্দ্র করে ফলতায় বারবার অশান্তির অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীদের দাবি ছিল, শাসকদলের প্রভাব ও সন্ত্রাসের কারণে সাধারণ মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি।

রুট মার্চে এলাকায় বাড়ছে নিরাপত্তার অনুভূতি (Central forces in Falta)
সেই আবহেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এত বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন কমিশনের কড়া মনোভাবেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।এদিকে এলাকায় ‘জাহাঙ্গীর ত্রাস’ নামে পরিচিত তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরেও চাপ বাড়ছে। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় ও প্রভাবের রাজনীতি চালানো হয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তবে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক চাপ যে বেড়েছে, তা মানছেন অনেকেই।
Bidhan Sabha: স্বচ্ছতা বাড়াতে লাইভ হবে বিধানসভার কার্যক্রম@SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCofficial @bengalliberty1 #westbengallegislativeassemblyelection2026 #westbengal #westbengalnews #bidhansabha #bengalliberty pic.twitter.com/qpX6C6hmtj
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 15, 2026
আইপিএস অজয় পাল শর্মার অ্যাকশনে চাপে দুষ্কৃতীরা (Central forces in Falta)
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর কড়া অবস্থান এবং ধারাবাহিক অভিযানে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক সক্রিয়তা সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। আক্রান্ত বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, বহুদিন পর এলাকায় প্রশাসনের দৃশ্যমান উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘রবিনহুড’ তকমা দিতেও শুরু করেছেন। স্থানীয়দের বক্তব্য, রাতের অন্ধকারে যাঁরা আতঙ্ক ছড়াতেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।সব মিলিয়ে ফলতার পুনর্নির্বাচন এখন শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষারও বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোট কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং শেষ পর্যন্ত জনতার রায় কোন দিকে যায়।
