Jeetu Sayani Controversy
Bengal Liberty , ১৬ মে:
টলিউডে সিনেমার খরা চললেও চিত্রনাট্যের যে অভাব নেই, তার প্রমাণ দিলেন জীতু কমল এবং সায়নী ঘোষ (Jeetu Sayani Controversy)। পর্দার ‘সত্যজিৎ-বিজয়া’ জুটি এখন বাস্তবের ‘কঙ্গনা-সাংসদ’ দ্বন্দ্বে মত্ত। ফেসবুকের দেওয়ালে দেওয়ালে এখন যে পরিমাণ ‘কাদা ছোড়াছুড়ি’ চলছে, তাতে বর্ষার আগেই টলিপাড়ায় বন্যার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে (Jeetu Sayani Controversy)।

ক্লাইম্যাক্স যখন মধ্যরাতে (Jeetu Sayani Controversy)
সিনেমার টুইস্টকেও হার মানালেন জীতু কমল। সায়নী ঘোষ যখন দাবি করলেন যে জীতুর কুকর্ম নিয়ে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতা নালিশ করেছিলেন, ঠিক তখনই জীতুর মাস্টারস্ট্রোক। রাত দুটোর সময় প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়েই লাইভে হাজির অভিনেতা! লোকেশনটাও বেশ জুতসই— সায়নী ঘোষ যে পুজোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, সেই মণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়েই চলল কুলফি খাওয়া আর সায়নীকে ধোলাই দেওয়া। বিচ্ছেদের তিন বছর পর প্রাক্তনের মান বাঁচাতে নবনীতার এই ‘ঢাল’ হওয়া দেখে নেটিজেনরা বলছেন— “বিয়ে টিকুক না টিকুক, লাইভ যেন অমর হয়!”

তর্ক যখন ব্যক্তিগত (Jeetu Sayani Controversy)
রাজনীতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন— কোনো কিছুই বাদ পড়েনি এই ভার্চুয়াল যুদ্ধে। সায়নী জীতুকে ‘সুবিধাবাদী’ আর ‘অসভ্য’ তকমা দিলেন, তো জীতুও পাল্টা মনে করিয়ে দিলেন সায়নীর পুরনো ‘শিবলিঙ্গ’ বিতর্ক। জীতুর প্রশ্ন, “যিনি মহাদেবের লিঙ্গে কনডম পরান, তিনি আবার ঈশ্বর মানেন কবে থেকে?” সায়নীও ছাড়ার পাত্রী নন, তাঁর মতে জীতু আসলে কাজ হারিয়ে এখন সস্তা নাটক করে খবরে থাকতে চাইছেন।

অফিস গসিপের সেরা খোরাক (Jeetu Sayani Controversy)
থানায় গিয়ে ‘আমি কে জানেন?’ বলা থেকে শুরু করে ইডি-র ভয়— এই লড়াইয়ে মশলার কোনো কমতি নেই। অফিসের লাঞ্চ ব্রেকে আলোচনার জন্য এর চেয়ে ভালো ‘কন্টেন্ট’ আর কী-ই বা হতে পারে! সত্যজিৎ রায় বেঁচে থাকলে হয়তো এই চিত্রনাট্য দেখে বলতেন— “অপু, এ তো দেখছি অপরাজিত নয়, অপদার্থ হওয়ার লড়াই!”
