TMC leaders security downgrade
Bengal liberty desk, ১৭ মে ,কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের আবহে এবার বড়সড় পরিবর্তন এল তৃণমূলের শীর্ষ সারির নেতাদের নিরাপত্তা বলয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমের পাশাপাশি সুব্রত বক্সি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বা কুণাল ঘোষদের মতো নেতাদের সুরক্ষাকবচও এখন নয়া প্রশাসনিক ছাঁচে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশি আড়ম্বর কমিয়ে মূলত পদমর্যাদা এবং ‘থ্রেট পারসেপশন’ খতিয়ে দেখেই এই নতুন বিন্যাস কার্যকর করেছে লালবাজার।

অতিরিক্ত কনভয় ও পাইলট কার প্রত্যাহার (TMC leaders security downgrade)
এই রদবদলের সবথেকে দৃশ্যমান প্রভাব পড়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওপর। এতদিন তাঁর গাড়ির আগে-পিছে থাকা সুদীর্ঘ পুলিশি কনভয় এখন অতীত। কোনও পাইলট কার ছাড়াই সাধারণ বিধায়ক ও মেয়রের পদমর্যাদা অনুযায়ী বরাদ্দ নিরাপত্তা নিয়ে তিনি যাতায়াত করছেন। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে দলের বর্ষীয়ান নেতা সুব্রত বক্সি এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রেও। তাঁদের জন্য আগে যে অতিরিক্ত পুলিশি প্রহরা বা কনভয়ের ব্যবস্থা ছিল, তা কমিয়ে এখন শুধুমাত্র প্রয়োজনভিত্তিক নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।
Biswa Bangla logo removed: যুবভারতীতে শেষ ‘ব’ জমানা | Bengal Liberty
📷 https://t.co/p1arc7Clx8#BiswaBangla #saltlakecity #SaltLakeStadium #yubabharati #WestBengalNews #BengalLiberty pic.twitter.com/OYfGh2MtjT— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 17, 2026

আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা শিথিল (TMC leaders security downgrade)
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তার কড়াকড়িও অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে দীর্ঘদিনের চেনা ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের বাড়তি নজরদারি এবং পুলিশি স্ক্যানারও এখন আর নেই।
তবে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নেতাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় কোনও ঘাটতি রাখা হবে না।
আরো পড়ুন:- Falta Re-election: কোথায় ‘পুষ্পা’? ফলতার নির্বাচনী মঞ্চ থেকে জাহাঙ্গিরকে চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

থ্রেট পারসেপশন অনুযায়ী সমান গুরুত্ব (TMC leaders security downgrade)
কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা বা অরূপ বিশ্বাসের মতো নেতাদের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন সরাসরি তাঁদের ‘থ্রেট পারসেপশন’ বা বিপদের আশঙ্কার ওপর নির্ভর করছে।
প্রশাসনিক নীতি অনুযায়ী, যাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি, তাঁদের নিরাপত্তা বলয় সেভাবেই সাজানো থাকবে।
কিন্তু রাজনৈতিক পদের দোহাই দিয়ে যে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন থাকত, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সুবিধা হবে এবং পুলিশ কর্মীরা সরাসরি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সময় দিতে পারবেন।

প্রশাসনের নয়া নীতি (TMC leaders security downgrade)
রাজ্য প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো ‘অতিরিক্ত’ নিরাপত্তা বর্জন করা। নতুন সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী, ভিভিআইপি ডিউটি থেকে পুলিশ কর্মীদের সংখ্যা কমিয়ে তাঁদের সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় বেশি করে ব্যবহার করা হবে। ফলে, তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতারা এখন থেকে পদের গরিমা বা বাড়তি আড়ম্বরের বদলে সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনিক নিয়ম ও সরকারি প্রোটোকল মেনেই সুরক্ষা পাবেন।
