Adhir Ranjan Chowdhury comeback
Bengal Liberty, কলকাতা ১৯ মার্চ ২০২৬ :
অধীর রঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury comeback) বাংলা তথা ভারতবর্ষের রাজনীতির একদা সেনাপতি। জাতীয় কংগ্রেসের অস্তিত্ব বাংলায় কিছুটা হলেও টিকিয়ে রেখেছেন অধীর রঞ্জন। দল পরিবর্তন, টাকার লোভ, রাজ্যসভার সিট—সবকিছুকেই পরাস্ত করে এগিয়ে চলেছেন পাঁচ বারের সাংসদ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজার চেষ্টাতেও থামেননি এই মানুষটি। এমনকি তাঁর প্রশংসা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও করতে সোনা গেছে। সংসদে দাঁড়িয়ে বহুবার “অধীরদা” বলে সম্বোধন করেছেন বিজেপির অনেক নেতা।

পরাজয় (Adhir Ranjan Chowdhury comeback):
শেষমেশ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সমীকরণের রাজনীতির সামনে হারতে হলেও কখনোই নিজের মেরুদণ্ড বিকিয়ে দেননি। লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পরও সমহিমায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করতে দেখা গেছে কংগ্রেসের এই শেষ জ্বলন্ত প্রদীপকে।

আবারো প্রতাবর্তনের পথে (Adhir Ranjan Chowdhury comeback):
সেসব এখন অতীত। আবারও ফুল ফ্রন্টে নামছেন অধীর রঞ্জন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়তে দেখা যাবে তাঁকে। তিন দশক পর বিধানসভা নির্বাচনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন—১৯৯১, ১৯৯৬-এর পর ২০২৬, দীর্ঘ ৩০ বছর পর বিধানসভা ভোটে দলের ব্যাটন অধীরের হাতে।
এমনিতেই নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, শাসক দল তৃণমূল ও শূন্যে থাকা বামফ্রন্ট প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু এবারের ভোটে এক সময়ের বাংলার শাসক কংগ্রেস পুরোপুরি নিশ্চুপ।

শেষ চাল (Adhir Ranjan Chowdhury comeback):
দলে একের পর এক ভাঙন, জেতা বিধায়কদের শাসক দলে চলে যাওয়া গনি খান চৌধুরীর মুর্শিদাবাদ ও মালদহ আজ কংগ্রেসশূন্য। পুরো বাংলায় কংগ্রেস এখন ব্যানার-ফ্লেক্সে পরিণত হয়েছে। সেই কারণেই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কর্মীদের নামিয়ে শেষ চাল দিতে মরিয়া রাহুল ও সোনিয়া গান্ধীরা।
https://t.co/g6mfuZ9AmQ https://t.co/4TTUHXvo1t
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 19, 2026
জল্পনার অবসান (Adhir Ranjan Chowdhury comeback):
কিছুদিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল, অধীর রঞ্জন চৌধুরী আবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাতেই পড়ল সিলমোহর। দলের তরফে সিদ্ধান্ত পাকা—বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর থেকেই লড়বেন সবার প্রিয় “অধীরদা”।
সিপিএমের মতোই শূন্য গেরোয় আটকে আছে শতাব্দী প্রাচীন এই দল। একসময় বিধান চন্দ্র রায়, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের শাসনে বাংলায় চালকের আসনের ভূমিকায় ছিল কংগ্রেস। ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমীকরণের রাজনীতি কংগ্রেসকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।
এখন দেখার, অধীর রঞ্জন চৌধুরীর এই তিন দশক পরের প্রত্যাবর্তন কি রাজনীতির খেলা ঘুরিয়ে দেবে, নাকি পুরোনো অভিশপ্ত স্মৃতি তাঁকে তাড়া করে বেড়াবে—উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।
আরও পড়ুন :
Bhabanipur Battle : মমতার গড়ে এবার ‘কুরুক্ষেত্র’! ভবানীপুরে ঢুকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ, ২৫ হাজারে জয়ের হুঙ্কার শুভেন্দুর
