Bengal Liberty, ২ মে:
গণনার ঠিক আগে শহরের এক হাই-প্রোফাইল স্ট্রং রুম ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন (CCTV Controversy)। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ভোর প্রায় চারটে নাগাদ ৮টি ব্যালট বক্স ঢোকানোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযোগ, ৮ টি ব্যালট বক্স এমন একটি ঘরে রাখা হয়েছে যেখানে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, ভোট গণনার আগেই পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির ছক কষা হয়েছে। তারা সিসিটিভি মনিটরিংয়ের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ করেছে, আপত্তি সত্ত্বেও জোর করে ওই বাক্সগুলো সিসিটিভিহীন ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন – যে ব্যালট বক্সগুলো অনেক আগেই স্ট্রং রুমে থাকার কথা, সেগুলি কেন শেষ রাতে এসে সিসিটিভিহীন ঘরে রাখা হল (CCTV Controversy)?

নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন (CCTV Controversy)
ঘটনার খবর পেয়েই শুক্রবার সকালে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছে যান বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। তিনি নিজে সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুণাল ঘোষ ও শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা অভিযোগ তুলেছিলেন যে সিল করা স্ট্রং রুমের ভেতরে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিরাগতদের প্রবেশ ঘটছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর গুরুতর প্রশ্ন তুলে তাঁরা স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থান বিক্ষোভেও বসেন।

বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে উত্তেজনা (CCTV Controversy)
বিক্ষোভ চলাকালীন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় পৌঁছাতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একদিকে তৃণমূল কর্মীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, অন্যদিকে পাল্টা ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি, দুই পক্ষের বাকযুদ্ধে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে, পরে নিরাপত্তা জোরদার করতে এলাকা গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়।
আরও খবর
এই উত্তেজনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানায়, গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা আরও কড়াকড়ি করতে ‘ইসিআই-নেট’ (ECINET) নামে একটি বিশেষ প্রযুক্তি চালু করা হচ্ছে, যা পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে-এই প্রযুক্তিগত নজরদারি কি আদৌ কমাতে পারবে রাজনৈতিক উত্তেজনা?


