Bengal Liberty : চিকিৎসার খরচ নিয়ে সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা কমাতে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (PM-JAY)। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৩.২৩ কোটিরও বেশি মানুষের সক্রিয় আয়ুষ্মান কার্ড রয়েছে। শুধু রাজ্যের হাসপাতালেই নয়, বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজনে রাজ্যের বাইরেও এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বাংলার মানুষ। তাঁর দাবি, চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নিজের পকেট থেকে খরচের বোঝা কমিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও মজবুত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য (PM-JAY)।

৩১ হাজারের বেশি হাসপাতালে ভর্তি (PM-JAY)
মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ৩.২৩ কোটিরও বেশি সক্রিয় আয়ুষ্মান কার্ড রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীরা বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার আর্থিক সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ পান। ফলে বড় ধরনের চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও পরিবারের উপর সরাসরি আর্থিক চাপ অনেকটাই কমানোর লক্ষ্য রয়েছে এই প্রকল্পের।ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওতায় ৩১,৫৪১টি হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা ঘটেছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে রোগীরা নগদ টাকা না দিয়েই চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। অর্থাৎ চিকিৎসার সময় সঙ্গে সঙ্গে বড় অঙ্কের টাকা জোগাড় করার চাপ কমেছে বলে দাবি সরকারের।
A major milestone in our commitment to ensuring accessible, dignified and quality healthcare for the People of West Bengal.
Our continued focus on eliminating out-of-pocket medical burdens and strengthening health security is delivering real, measurable results on the ground.… pic.twitter.com/O6VnEyOvMfআরও খবর
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) September 7, 2026

রাজ্যের বাইরেও মিলছে চিকিৎসা (PM-JAY)
আয়ুষ্মান ভারত PM-JAY-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ। সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৭১৬ জন রোগী রাজ্যের বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা পেয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিক বা এমন রোগী, যাঁদের নির্দিষ্ট কোনও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের জন্য এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের অন্য রাজ্যের উন্নত হাসপাতালেও চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, শহর থেকে গ্রাম-সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চিকিৎসার খরচের বোঝা কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।আয়ুষ্মান প্রকল্পের এই পরিসংখ্যান সামনে রেখে সরকারের দাবি, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সুলভ, সমতাভিত্তিক এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার পথে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/07/jadavpur-protest/


