No Kings movemen
Bengal Liberty: ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় আমেরিকায় স্টুডেন্টস অফ ডেমোক্রেটিক সোসাইটি-সহ একাধিক রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান মার্কিন যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল। ঘটনায় রীতিমতো হিলে গিয়েছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। সেই স্মৃতি ২০২৬-এ আবারও ফিরে এল আমেরিকায়। এই মুহূর্তে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন মার্কিন নাগরিকগণ। ‘No Kings’ আন্দোলনের ব্যানারে ট্রাম্পের নানা কর্ম-কাণ্ডের বিরোধিতা করতে দেখা যাচ্ছে মার্কিনবাসীদের (No Kings movement)।
আন্দোলনের নেপথ্যে দাবি (No Kings movement)

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্পের অভিবাসন, যুদ্ধনীতি মানবাধিকারের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। এর সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে নাগরিক অধিকার সংকুচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক চাপ এবং মূল্যবৃদ্ধি ক্রমে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এই সমস্ত ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে ‘No Kings’ আন্দোলনের সূচনা ঘটেছে। পাশাপাশি, আন্দোলনের অন্দর থেকে ডাক উঠছে― গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার রক্ষার। একইসঙ্গে LGBTQ+, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের পক্ষেও সওয়াল করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কেবলমাত্র আমেরিকাতেই এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ থাকল না। সমাজমাধ্যম ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ইউরোপ, এশিয়া-সহ একাধিক মহাদেশে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘No Kings’ ব্যানার হাতে মিছিল বেরিয়েছে।
আমেরিকার অতীত আন্দোলন (No Kings movement)

ইতিহাস মোতাবেক আমেরিকার স্বাধীনতার পর ১৯-শ শতকে দাসপ্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এরপর একে-একে নারী ভোটাধিকার, শ্রমিক, নাগরিক অধিকার, ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী এবং LGBTQ আন্দোলন চাক্ষুষ করেছি। ২০১১ সালে অকুপাই ওয়ালস্ট্রিট আন্দোলন গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এছাড়াও, সাম্প্রতিক সময়ে দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে BLACK LIVES MATTER শাসকের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতীতের আন্দোলনগুলোতে যদি আমরা বিশেষভাবে নজর দিই, সাফ দেখতে পাব, ডেমোক্র্যাট হোক বা রিপাবলিকান, জনগণ কাউকে রেয়াত করেননি। বস্তুত, আজকের ‘No Kings’ আন্দোলন থেকে মূলত ট্রাম্পের পদত্যাগের দাবি জোরালোভাবে উঠে আসছে। এই আবহে মার্কিন রাষ্ট্রপতি যে ঘরে এবং বাইরে ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে গেলেন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরও পড়ুন (No Kings movement)-
Strait of Hormuz Conflict: ‘ওটা স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প’, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মাঝেই হরমুজ প্রণালীর নাম বদল মার্কিন প্রেসিডেন্টের
Iran Bushehr nuclear plant attack: দশ দিনে তিনবার হামলা! ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে নিশানা, বাড়ছে যুদ্ধের আঁচ
