US-Iran Conflict 2026
Bengal Liberty Desk, ২৯ মার্চ: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে আমেরিকার নয়া স্ট্র্যাটেজি— আকাশপথে ভয়ঙ্কর যুদ্ধের পর এবার কি স্থলযুদ্ধ শুধুই সময়ের অপেক্ষা? সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি সৈন্য নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছে গিয়েছে আমেরিকার রণতরী ইউএসএস ট্রিপোলি। এটি ‘উভচর’ আক্রমণে খুবই কার্যকর এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বাহিনী (US Iran Conflict)
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বাহিনী সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, গত ২৭ মার্চ এই রণতরী পশ্চিম এশিয়ায় সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীন এলাকায় পৌঁছেছে। এতে নাবিক ও নৌসেনাদের পাশাপাশি আক্রমণে সক্ষম যুদ্ধবিমানও রয়েছে।
নয়া সংঘাতের ইঙ্গিত (US Iran Conflict)!
সূত্রের খবর, পেন্টাগন ইরানের স্থলপথে যুদ্ধ অভিযানের প্রস্তুতি নিতে চলেছে। বিগত এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে আমেরিকার প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্র হোক কিংবা দেশের ভিতরে— মার্কিন রাষ্ট্রপতির জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমেছে।
যদি স্থলপথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়, তা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। এতে সৃষ্টি হবে নতুন সংঘাত। ১৫ দফা যুদ্ধবিরতির আলোচনাও ইরানের সরকার নাকচ করে দিয়েছে। সেই কারণেই কি মার্কিন সেনা সরাসরি আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে?
ওয়াশিংটন পোস্ট কয়েকজন মার্কিন আধিকারিককে উল্লেখ করে জানিয়েছে, ইরানে স্থল-অভিযানের অনুমতি দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নিশ্চিত কোনও নির্দেশ বা ইঙ্গিত এখনও ট্রাম্পের দফতর থেকে আসেনি।
যুদ্ধের ফলাফল কী হতে পারে (US Iran Conflict)?
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, “ট্রাম্প আবারও বড় ভুল করতে চলেছেন। প্রথমত, যদি স্থলপথে যুদ্ধ শুরু হয়, সেখানে ইরানের সেনা আমেরিকাকে কঠিন লড়াই দেবে। অনেকের মতে, ইরান আমেরিকার থেকেও বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প কূটনৈতিক দিক থেকে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর উপর দায় চাপানোর চেষ্টাও করছেন।”
হরমুজ প্রণালী যেখানে সব রাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার রয়েছে, সেখানে ব্রাত্য শুধুমাত্র দুই শত্রু দেশ। সেই কারণেই কি আরও মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প?— এই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব।
