Balloon Campaign
Bengal Liberty, ২৫ এপ্রিল :
প্রথম দফার ভোটে কার্যত ১০০/১০০ পাওয়ার পর এবার আরও সতর্ক ও কড়া অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election commission)। আর মাত্র চারদিন পরেই দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। রাজ্যের মোট ১৪২টি আসনে নির্ধারিত হবে ভাগ্য। সেই প্রেক্ষিতে কোনওরকম অশান্তি বা অনিয়ম এড়াতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপশি কলকাতা পুলিশের ওপর ভরসা রাখতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই এবার শুধু বুথ বা তার আশপাশ নয়, এবার নজরদারির পরিধি বাড়িয়ে বুথমুখী রাস্তাগুলিকেও আনা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরার আওতায়। বিশেষ করে কলকাতা ও হাওড়ার ঘিঞ্জি এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে ওয়েব কাস্টিংয়ের মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার সাথে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election commission)।

কমিশনের একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনা (Election commission)
দ্বিতীয় দফার ভোটকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ রাখতে এবার নজরদারির পরিধি অনেকটাই বাড়াতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকা নয়, এবার বুথমুখী প্রতিটি রাস্তাকেও ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঘিঞ্জি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় থাকা বুথগুলিতে এই অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হবে। আপাতত কলকাতা পুলিশের ওপর ভরসা না করে কলকাতা এবং হাওড়ার ক্ষেত্রেই প্রাথমিক ভাবে এই অতিরিক্ত রাস্তায় ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এর পাশাপাশি প্রথম দফার তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যায় বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে দ্বিতীয় দফায়। মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এই ক্যামেরা ব্যবহার করবে। মাঠপর্যায়ের প্রতিটি মুহূর্তের ছবি তুলে ধরবে, যা নজরদারিকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করে তুলবে। এর পাশাপশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে নজরদারি বাড়াতে ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। মূলত, সীমান্তবর্তী যে সমস্ত জেলায় ভোট রয়েছে দ্বিতীয় দফায়, সেখানে বাড়ানো হবে ড্রোনের সংখ্যা।

এছাড়াও সেন্সিটিভ বুথগুলিতে তিনস্তরের ক্যামেরা নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে- বুথের ভিতরে থাকবে দুটি ক্যামেরা এবং বাইরে একটি। সব মিলিয়ে বলা যায়, দ্বিতীয় দফার ভোটে কোনওরকম অশান্তি বা অনিয়মের সুযোগ না রাখতে কমিশন এবার প্রযুক্তিনির্ভর কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে চলেছে।
