Bengal Liberty, ২৯ এপ্রিল:
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা মানেই তৃণমূলের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু ২০২৬-এর নির্বাচনী রণক্ষেত্রে সেই সমীকরণ যেন কিছুটা বদলে দিতে চাইছে কমিশন Falta central force। তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই এলাকায় এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাধার মুখে পড়ল শাসকদল। তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গিরের একটি নির্বাচনী ক্যাম্প সম্পূর্ণভাবে তুলে দিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বাহিনীর সক্রিয়তা ও ক্যাম্প উচ্ছেদ Falta central force
বুধবার সকালে ফলতার একটি বুথ সংলগ্ন এলাকায় জাহাঙ্গির আলমের অনুগামীদের তৈরি করা একটি ক্যাম্প ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ ওঠে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে বুথের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যেই ওই ক্যাম্পটি তৈরি করা হয়েছিল, যা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এবং কোনো রকম আপস না করে তৃণমূলের ওই ক্যাম্পটি ভেঙে দেয়।

উত্তেজনা ও বচসা
ক্যাম্প তোলার সময় তৃণমূল কর্মীদের সাথে জওয়ানদের তীব্র কথা কাটাকাটি এবং ধস্তাধস্তি শুরু হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি ছিল, তারা ভোটারদের সহায়তার জন্য ওই ক্যাম্প করেছিলেন। তবে বাহিনীর পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো ক্যাম্প রাখা যাবে না। বাহিনীর কঠোর মনোভাবের সামনে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় ঘাসফুল শিবিরের কর্মীরা।
আরও খবর
কী জানালো তৃণমূল কর্মী?
অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘বিজেপির দালালি’ বলে তোপ লাগানো হয়েছে। জাহাঙ্গির আলমের দাবি, তারা নিয়ম মেনেই ভোটারদের সহায়তার জন্য ক্যাম্প করেছিলেন, কিন্তু বাহিনী বিনা প্ররোচনায় তা ভেঙে দিয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটারদের আশ্বস্ত করতে রুট মার্চ শুরু হয়েছে। ফলতার সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই কড়া পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।


