Bengal Liberty, kolkata:
বাংলায় দীর্ঘ এক দশকের ‘অপশাসন’ উপড়ে ফেলে এবার সরকার গড়ার তোড়জোড় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি। ঐতিহাসিক জয়ের পর এখন সবার নজর কে হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকরণ ত্বরান্বিত করতে এবং বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের জন্য হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল বিজেপির সংসদীয় বোর্ড (Nabanna power)। খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাঁধে দেওয়া হয়েছে বাংলার দায়িত্ব।

বাংলার জন্য অমিত শাহ ও মোহন চরণ মাঝি Nabanna power
বিজেপির সদর দপ্তর থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে অমিত শাহ এবং সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূলত এই দুই হেভিওয়েট নেতাই কলকাতায় এসে নবনির্বাচিত ২০৭ জন বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে কথা বলবেন এবং নেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবেন। ওড়িশায় যেভাবে বিজেপি অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে, সেই অভিজ্ঞতাকে এবার বাংলায় কাজে লাগাতে চায় দল।

অসমের দায়িত্ব জেপি নাড্ডার কাঁধে
শুধু বাংলা নয়, পড়শি রাজ্য অসমেও টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে এনডিএ। সেখানেও নেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি।
তৃণমূলের ভরাডুবি ও গেরুয়া প্লাবন
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বলছে, বাংলার মানুষ তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’ ও ‘সিন্ডিকেট রাজের’ বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। বুথ ফেরত সমীক্ষা ছাপিয়ে বিজেপি এককভাবে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসনে থমকে গিয়ে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
শান্তি ও প্রগতির লক্ষ্যে নতুন সরকার
যদিও পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতে তৃণমূল নেতৃত্ব ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বাংলার মানুষ রেকর্ড হারে ভোট দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁরা পরিবর্তন চেয়েছিলেন। এখন অমিত শাহের তত্ত্বাবধানে দ্রুত বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচন করে রাজভবনে সরকার গড়ার দাবি জানাতে চলেছে পদ্ম শিবির। বাংলার ঘরে ঘরে এখন একটাই প্রশ্ন কে হতে চলেছেন পরিবর্তনের কারিগর?
