Bengal CMO
Bengal Liberty, ১০ মে :
রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার প্রশাসনের অন্দরে শুরু হলো বড়সড় পুনর্গঠনের পর্ব (Bengal CMO)। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্পষ্ট ছিল, শুধু নীতিগত বদল নয়, নবান্নের প্রশাসনিক কাঠামোতেও আসতে চলেছে আমূল পরিবর্তন। সেই জল্পনাকেই কার্যত সত্যি করে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর (সিএমও) থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের ব্যক্তিগত সচিবালয়ে ব্যাপক রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে একযোগে ১৬ জন ডব্লুবিসিএস আধিকারিককে সিএমও থেকে সরানো হয়েছে, বদল করা হয়েছে ৪৬টি দফতরের পিএস ও ওএসডি পদেও (Bengal CMO)।

৪৬ দফতরে ব্যাপক পুনর্বিন্যাস (Bengal CMO)
নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নজর কেড়েছে সিএমওতে কর্মরত আধিকারিকদের সরিয়ে নতুন দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, সরকারের লক্ষ্য হল মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও দ্রুত সিদ্ধান্তগ্রহণে সক্ষম এবং কার্যকর করে তোলা। সেই কারণেই অভিজ্ঞ ও মাঠপর্যায়ের কাজ জানা আধিকারিকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো হচ্ছে।
নবনিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সুদত্তা চৌধুরী, নীতেশ ঢালি, শঙ্খ সাঁতরা, রাহুল মজুমদার এবং অমিতজ্যোতি ভট্টাচার্যের মতো আধিকারিকরা। কৃষি বিপণন, খাদ্য, পরিবহণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও শিল্পসহ মোট ৪৬টি গুরুত্বপূর্ণ দফতরে নতুন করে পিএস ও ওএসডি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে, নতুন সরকারের একাধিক মন্ত্রীর সচিবালয়ে এমন আধিকারিকদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাঁরা পূর্বতন সরকারেও একই ধরনের প্রশাসনিক পদে ছিলেন।

বদলি ঘিরে বিতর্ক (Bengal CMO)
যদিও এই রদবদল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। নবান্নের করিডরে এখন সবচেয়ে বেশি চর্চায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বায়ক প্রতাপ নায়েকের বদলি। স্বরাষ্ট্র দফতরের অধীনে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে কর্মরত প্রতাপ নায়েককে হঠাৎই দার্জিলিং জেলার বিজনবাড়ির পাল বাজার ব্লকে বদলি করা হয়েছে।
শুধু তিনিই নন, সিএমও থেকে সরিয়ে দেওয়া ১৬ জন আধিকারিককেই অবিলম্বে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, পূর্বতন সরকারের ঘনিষ্ঠ বা প্রভাবশালী দফতরে দীর্ঘদিন কর্মরত আধিকারিকদের অনেককেই তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বা দূরবর্তী এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।
