Sujit Bose
Bengal Liberty, ১২ মে :
তৃণমূলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি! কালো টাকা সাদা করার নেপথ্যে এবার রেস্তোরাঁ (Sujit Bose)। প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে এবার আদালতে সেই তথ্যই পেশ করল ইডি। চাওয়া হল ১০ দিনের ইডি হেফাজত। সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসু সোমবার হাজির হন সিজিও কমপ্লেক্সের ইডির দফতরে। সেখানেই টানা দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলের সকালে মেডিকেল টেস্টের পর তাঁকে ইডির বিশেষ আদালতে পেশ করা হয় (Sujit Bose)।

ইডির আইনজীবীর দাবি (Sujit Bose)
আদালতে ইডির আইনজীবীর দাবি, মামলা শুরু হয় ২০২২ সালে। তদন্ত শুরু করে ইডি। এরপর একের পর এক নাম উঠে আসে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়। সুজিত বসুও র্যাডারে ছিলেন। ইডির হতে এসছে বিস্ফোরক তথ্য। প্রাক্তন মন্ত্রীর রেস্তোরাঁ ও বেঙ্গল ধাবা আছে। যেখানে কোভিডের সময় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। চাইনিজ কুইজিন নামক রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকলেও সেই সময় ১.১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেঙ্গল ধাবার মাধ্যমেও ২.২ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছে। এখানেই ইডির প্রশ্ন, রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকাকালীন কীভাবে আয় হল? এই আয়ের উৎস কি? তাহলে কি পুর নিয়োগের টাকাই এখানে সাইফন হয়ে ঢুকেছে?

তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগের সুজিতের বিরুদ্ধে (Sujit Bose)
ইডির তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে সুজিত বসুকে নোটিশ করা হয়। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তদন্তে অসহযোগিতারও অভিযোগ এসছে। ইডি সূত্রে খবর, অয়ন শীলের কাছ থেকেও সমস্ত ডিজিটাল তথ্য পাওয়া গিয়েছে। যেখানে সুজিত বসু যে একাধিক চাকরি প্রার্থীদের সুপারিশ করেছে। তার প্রমাণ মিলেছে। এমনকি, সাউথ দমদম মিউনিসিপ্যালিটিতে ১৫০ চাকরিপ্রার্থীকে বেআইনিভাবে সুপারিশ করেছিলেন। এভাবেই একাধিক পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
