toll plazas shut down
Bengal liberty desk, 13 মে ,কলকাতা:
ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্যে ‘ভিআইপি কালচার’ আর ‘তোলাবাজি’ বন্ধে কোমর বেঁধে নামল নতুন সরকার। মঙ্গলবার রাতে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়ে রাজ্যের সমস্ত অবৈধ টোল প্লাজা এবং ড্রপ গেট অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। নবান্নের এই কড়া বার্তার পর থেকেই জেলাগুলোতে শুরু হয়েছে বেআইনি কালেকশন পয়েন্ট চিহ্নিত করার কাজ।

১৫ মে-র মধ্যে চরম সময়সীমা toll plazas shut down
মুখ্যসচিবের দপ্তর থেকে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে, সমস্ত জেলাশাসককে তাঁদের এলাকায় থাকা অবৈধ টোল গেট, ড্রপ গেট, ব্যারিকেড বা অনুমোদিত কালেকশন পয়েন্টগুলো দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, আগামী ১৫ মে দুপুর ১২টার মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কতগুলো বৈধ এবং অবৈধ টোল পয়েন্ট রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে মুখ্যসচিবের দপ্তরে। রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে— কারা এই টাকা তুলছিল এবং কতদিন ধরে এই কারবার চলছিল।

গাফিলতি হলেই কড়া ব্যবস্থা:
প্রশাসনের এই নির্দেশে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অবৈধভাবে পথচারী বা গাড়ি চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যদি কোনো আধিকারিক এই নির্দেশ পালনে গাফিলতি করেন বা কোনো বেআইনি গেট চালু থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাধারণ মানুষের বড় স্বস্তি:
দীর্ঘদিন ধরেই লরি চালক এবং ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ছিল যে, বিভিন্ন হাইওয়েতে এবং রাস্তার মোড়ে বেআইনিভাবে ড্রপ গেট ফেলে তাঁদের কাছ থেকে মোটা টাকা তোলা হচ্ছিলো । রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘কাটমানি’ ও ‘তোলাবাজি’ মুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি পূরণে এটি সরকারের একটি বড় পদক্ষেপ।
নবান্নের এই নির্দেশের ফলে পরিবহণ ব্যবস্থায় যেমন স্বচ্ছতা আসবে, তেমনই সাধারণ মানুষের হয়রানিও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, নবান্নের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জেলাগুলো থেকে কেমন রিপোর্ট জমা পড়ে।
