ED Raid
Bengal Liberty, ২২ মে :
‘সোনা পাপ্পু’ একাধিক রাঘববোয়াল জেলে ঢুকলেও থেমে নেই ইডি (ED Raid)। সোনা পাপ্পু কাণ্ডে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস গ্রেফতার করে বড় সাফল্য পাওয়ার পর এবার একযোগে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজ, বুধবার সকাল থেকেই এই মামলার সূত্র ধরে পুনরায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শান্তনু সিনহা বিশ্বাস শ্রীঘরে থাকলেও তাঁর মুর্শিদাবাদের কান্দির বাড়ি থেকে শুরু করে কলকাতার আরও তিনটি জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির এই ম্যারাথন তল্লাশিতে প্রশ্ন উঠছে, এখনও বড় কোনো রাঘববোয়াল পুলিশের জালে আসতে চলেছে নাকি চুনোপুঁটিদেরও সাফ করতে উদ্যত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED Raid)?

বন্ধ দরজার সামনে অপেক্ষারত তদন্তকারা (ED Raid)
‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় গ্রেফতার হওয়া শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালেই মুর্শিদাবাদের কান্দিতে তাঁর বাসভবনে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালানোর প্রস্তুতি নিলেও দীর্ঘক্ষণ ধরে বাড়ির দরজা বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা। ফলে বাড়ির সামনেই অপেক্ষা করতে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

কলকাতার তিন জায়গায় একযোগে হানা (ED Raid)
কান্দির পাশাপাশি শুক্রবার কলকাতার তিনটি ভিন্ন জায়গাতেও একযোগে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। চক্রবেড়িয়ায় ব্যবসায়ী অতুল কাটারিয়ার বাড়িতে হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে কসবায় কলকাতা পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে ইডির এই উপস্থিতি ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে রয়েড স্ট্রিটের একটি অভিজাত হোটেলেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সোনা পাচার এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এই চক্রের লেনদেন ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে এই সব জায়গা থেকে। ইডির দাবি, তদন্তে উঠে আসা তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই মামলার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি যুক্ত থাকতে পারেন।
