Bihar congress
Bengal Liberty: নির্বাচনী অবহে জোটসঙ্গী আরজেডির (RJD) সঙ্গে কংগ্রেসের আসন সমঝোতারে মাঝে, এবার কংগ্রেসের অন্দরে এবার টিকিট পাওয়া নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ । দলের বেশ কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন ও দরদাম হচ্ছে।

টিকিট পাওয়া নিয়ে যত অশান্তি (bihar congress)
শনিবার পাটনায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস মুখপাত্র আনন্দ মাধব খাগাড়িয়ার বিধায়ক ছত্রপতি যাদব ও প্রাক্তন বিধায়ক গজনন্দ শাহীর বিরুদ্ধে সরব হন। দু’ই অভিযোগকারী নেতা এখনও পর্যন্ত নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর টিকিট পাননি।
মাধব জানান, তিনি রাজ্যের গবেষণা সেলের প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, “ দলের রাজ্য শীর্ষনেতৃত্ব টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে। দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাধব আরও বলেন, এইভাবে চললে দুই অঙ্কের আসনও পাবে না কংগ্রেস।”
খাগাড়িয়াতে অর্থাৎ ছত্রপতি যাদবের আসনে এবার টিকিট দেওয়া হয়েছে এআইসিসি সচিব চন্দন যাদবকে। দলের এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছত্রপতির বক্তব্য, “ বর্তমান বিধায়ককে টিকিট না দিলেও, তাঁকে অন্তত অন্য কোনও আসনে টিকিট দেওয়া উচিত ছিল।”
এদিকে, কংগ্রেস ও আরজেডির আসন নিয়ে আলোচনাও অচলাবস্থায়। প্রথম দফার ১২১টি আসনে মনোনয়ন দাখিলের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়নি। দ্বিতীয় দফার ১২২টি আসনের মনোনয়নের শেষ তারিখ সোমবার, তবু সমস্যা মেটার নাম নেই।
আনন্দ মাধবের অভিযোগ, “এই বিভ্রান্তি ও গোপনীয়তার সুযোগ নিয়ে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ আদায় করছে। কংগ্রেস ইনচার্জ, রাজ্য সভাপতি ও বিধানসভা দলনেতা তিনজনই এসবের কান্ডারি।”
নতুন প্রার্থীদের নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে পুরোনো নেতাদের। সোপল আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন অনুপম। যিনি গত বছরই দলে যোগ দেন। এখানেই শেষ নয়, তাঁর সামাজিক মাধ্যমের একটি পুরোনো পোস্টে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে মন্তব্য পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।
তাছাড়া আরজেডি থেকে সদ্য কংগ্রেসে যোগ দেওয়া ঋষি মিশ্রকে টিকিট দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রাক্তন প্রার্থী মাসকুর উসমানি বা নওশাদ আলমকে উপেক্ষা করে নতুন যোগদানকারীকে প্রাধান্য দেওয়ায় রাজ্য নেতৃত্বকে রীতিমতো কাঠগোড়ায় দাঁড় করেছিয়েছে পুরোনোরা।
বহু নেতা অভিযোগ তুলেছেন, রাজ্য ইনচার্জ অল্লাভারু “ কংগ্রেস কর্পোরেট স্টাইলে চালাচ্ছেন”।
এক কংগ্রেস সাংসদ বলেন, “এখন সব কিছুই দুই দলের নেতাদের ইগো নিয়ে। এর ফল ভোগ করবে মহাগঠবন্ধন।”
