Bengal liberty:
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। বিধানসভাতে তৃণমূলের দল ভাঙ্গনের পর এবার বাংলা থেকে দিল্লিতে ভাঙ্গন সাংসদদের মধ্যেই। দলের একাংশ সাংসদ নেতৃত্বের ভূমিকা, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এবার বিক্ষুব্ধ সাংসদের ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রবিবার সাক্ষাৎ করতে পারেন তৃণমূলের সাংসদরা। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অন্দরের ‘বিক্ষুব্ধ তৃণমূল’ তা প্রকাশ করতে ভিড় বাড়ছে।

লোকসভায় পৃথক ব্লকের দাবি Suvendu Adhikari
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা কোনও দলের মধ্যেই নেতৃত্ব, সংগঠন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হতে পারে। তৃণমূলের ক্ষেত্রেও যদি সাংসদদের একাংশ প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে থাকেন, তবে তা দলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হবে। বিশেষত প্রবীণ ও পরিচিতদের নাম সামনে আসায় জল্পনা আরও। রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ সাংসদের অবস্থান ঘিরে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, রবিবার কলকাতায় দলের বিক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের দাবি, সাংসদদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা এবং সংসদে তাঁদের অবস্থান নিয়ে এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

আরও খবর
অন্যদিকে, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পৃথক সংসদীয় ব্লকের আলোচনা নিয়ে সময় দিয়েছেন। স্পিকার তাঁদের সময়ও দিয়েছেন। ফলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। রবিবারের সম্ভাব্য বৈঠক এবং সোমবারের স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে। আগামী কয়েক দিনেই স্পষ্ট হবে দিল্লিতে তৃণমূলের স্থান কি হবে! এটি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল নাকি সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ সূচনার চেষ্টা।


