Bengal Liberty: ক্রেমলিনে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে কোনো পক্ষই খোলসা করে কিছু বলেনি। তবে এই আলোচনার পর কিছু প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে নিঃসন্দেহে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ আদৌ থামবে? ট্রাম্পের শান্তিপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা সফল হবে কিনা তা নিয়েও যথেষ্ঠ প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার মস্কোয় ট্রাম্পের দূতদের সঙ্গে বৈঠকের পর সমস্ত প্রশ্ন ও তার সমাধান অধরাই থাকবে বলেই আশঙ্কা। ক্রেমলিন জানিয়েছে, বৈঠক গঠনমূলক হলেও আমেরিকা যে কোনও আপস করতে রাজি নয়, তা-ও জানিয়েছে ক্রেমলিন। এমনকি, রাশিয়ার পক্ষ থেকেও কোনও আপস করার প্রশ্ন নেই, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা কোনও পক্ষই খোলসা করেনি। তবে ক্রেমলিনের এক শীর্ষকর্তা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, ‘‘ আপসের কোনও জায়গা নেই। তবে আমেরিকার তরফে কিছু বিকল্প সমাধানের কথা বলা হয়েছে, সেগুলি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রস্তাবিত কিছু বিষয় আমাদের সঙ্গে কোনও ভাবেই খাপ খায় না। তবে আলোচনার পথ খোলা থাকবে।’’
আরও খবর
উশাকভ জানান, আমেরিকার তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত ছিল । পাঁচ ঘণ্টার শান্তি বৈঠকে মূলত সেই চারটি ভাগ নিয়েই আলোচনা হয়েছে। কিছু বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থানের কথা জানান তিনি। ইতিবাচক ও নেতিবাচকের ইঙ্গিত থাকলেও সর্বোপরি আলোচনা খুবই কার্যকর এবং গঠনমূলক ছিল বলে জানান।
ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জন্য আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ বলে মনে করলেও মূল বিষয়গুলি নিয়ে কোনও বাস্তব অগ্রগতি হয়নি বলেও জানিয়ে দেন তিনি। আলোচনার বিষয়বস্তুর গোপনীয়তার কথাও বারংবার উল্লেখ করেছেন তাঁর বক্তব্যে। পাশাপাশি তিনি বলেন,‘‘আমরা ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানের খুব কাছাকাছি রয়েছি, তা বলা যায় না। এখনও অনেক কাজ বাকি।’’
তবে, ইউক্রেন সমস্যার সমাধান যে সহজ নয় সে বিষয়ে অবগত ট্রাম্প। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিষয়টি নিজেই উত্থাপন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, পরিস্থিতি ‘সহজ নয়’, তবে তাঁর দূতেরা সমাধান খুঁজতে মস্কোয় রয়েছেন। লক্ষ্য একটাই যুদ্ধের অবসান। লক্ষ্যে অবিচল ট্রাম্প। যদিও মস্কো বৈঠকের শেষে মার্কিন প্রতিনিধিদের তরফে কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। এখনও মুখ খোলেননি ট্রাম্পও।


