Bengal Liberty: ডার্বির মঞ্চে ফের জয় সবুজ-মেরুনের। আইএফএ শিল্ড ২০২৬-এর ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জমজমাট ডার্বির প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সমীর জেলকোভিচের একমাত্র গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হল।

প্রথমার্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে চলল টানটান লড়াই। ইস্টবেঙ্গল আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করলেও মোহনবাগানের রক্ষণভাগও ছিল যথেষ্ট সতর্ক। গোলের সুযোগ তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে ফিনিশিংয়ের খামতিতে বার বার তা নষ্ট হয়। ডার্বির চাপ যে দুই দলের ফুটবলারদের উপরই ছিল, তা ম্যাচের গতিতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শেষ লগ্নে জয়সূচক গোল
প্রথমার্ধের একেবারে শেষ লগ্নে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি আসে। সাহালের পাস থেকে সুযোগ পেয়ে সমীর জেলকোভিচ বল জালে জড়িয়ে দেন। তাঁর সেই গোলেই বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।
আরও খবর
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা
গোল হজম করার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। সমতা ফেরানোর জন্য একের পর এক আক্রমণ তৈরি করে লাল-হলুদ ব্রিগেড। পরিবর্তন এনে আক্রমণভাগকেও আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। কিন্তু মোহনবাগানের রক্ষণভাগে বার বার আটকে যায় ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ।
শেষ পর্যন্ত ট্রফি সবুজ-মেরুনের
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও গোলের দেখা মেলেনি। বরং গোলরক্ষক বিশাল কাইথের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা মোহনবাগানকে আরও স্বস্তি দেয়। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আইএফএ শিল্ড নিজেদের ঘরে তুলল মোহনবাগান।
এই জয়ের ফলে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-৪ গোলে হারের বদলাও নিল সবুজ-মেরুন শিবির। পাশাপাশি এটি মোহনবাগানের ২২তম আইএফএ শিল্ড খেতাব। কলকাতা ডার্বির আরও একটি অধ্যায় লেখা হল, আর সেই অধ্যায়ে শেষ হাসি হাসল মোহনবাগান।


