Bengal Liberty : ইউরোপীয় ফুটবলের মঞ্চে দুই হেভিওয়েটের লড়াই। একদিকে জার্মানির জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাব আর্সেনাল। আর সেই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কেউই পেল না জয়ের স্বাদ। ২-২ গোলে ড্র করেই মাঠ ছাড়ল দুই দল। আক্রমণ, পালটা আক্রমণ আর উত্তেজনায় ভরপুর এই ম্যাচে নজর কাড়ল দুই দলের লড়াকু মানসিকতা।
শুরুতেই ধাক্কা, তবুও এগিয়ে আর্সেনাল
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। তবে ১০ মিনিটেই চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় বুকায়ো সাকাকে। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন এবেরেচি এজে।
আর সেই পরিবর্তনই ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলে। ২৫ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের দুরন্ত পাস থেকে গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন এজে। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি গানাররা। ৩৫ মিনিটে হ্যারি কেনের অসাধারণ পাস থেকে গোল করে বায়ার্নকে সমতায় ফেরান আলফনসো ডেভিস। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।
আরও খবর
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ঝড় অব্যাহত থাকে। একাধিক সুযোগ তৈরি করে দুই দলই। তবে ৬১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেন। জুরিয়েন টিম্বারের হাতে বল লাগায় পেনাল্টি পায় জার্মানির ক্লাবটি। স্পটকিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি ইংল্যান্ডের এই তারকা স্ট্রাইকার। এরপর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় আর্সেনাল। একের পর এক আক্রমণে বায়ার্নের রক্ষণে চাপ বাড়াতে থাকে মিকেল আর্তেতার দল।
এই ড্রয়ে একদিকে যেমন ঘরের মাঠে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করল বায়ার্ন, তেমনই কঠিন প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিল আর্সেনাল। বিশেষ করে বুকায়ো সাকার চোটের ধাক্কা সামলেও শেষপর্যন্ত ম্যাচে ফিরে আসা গানারদের লড়াই প্রশংসনীয়। অন্যদিকে, এগিয়ে গিয়েও ম্যাচ শেষ করতে না পারার আক্ষেপ থাকবে বায়ার্ন শিবিরে। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে দুই দলের এই লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দিল টানটান উত্তেজনার এক ম্যাচ।


