Four terrorists gunned down
Bengal Liberty: পাহাড়ের মাঝে লুকিয়ে থাকা ঘাঁটি, গোপন তথ্য, আর হঠাৎই শুরু হওয়া তীব্র বন্দুকযুদ্ধ, বালুচিস্তানের কালাত জেলায় যেন সিনেমার দৃশ্য বাস্তবে দেখল পাকিস্তান। মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেল চার জঙ্গির জীবন (Terrorist death)। সেনার দাবি, অভিযানটি ছিল মিলিট্যান্ট নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড় সফলতা।
ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorist death)
এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (ISPR)। তাদের দাবি, গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে কালাত জেলার সন্দেহভাজন আস্তানায় হানা দেয় নিরাপত্তাবাহিনী। আর তারপরই সেখানে লুকিয়ে থাকা চার জঙ্গিকে গুলি বিদ্রোহ করা হয়। অভিযানের শেষে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি।তবে কারা এই জঙ্গিরা, তাদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি (Terrorist death)।
তবে এতেই শেষ নয়। গত সপ্তাহেই বালুচিস্তানের তিনটি এলাকায় কালাত, কোহলু ও পাঞ্জগুরে তিনটি পৃথক ইন্টেলিজেন্স বেসড (Intelligence-Based Operation (IBO) অপারেশন চালিয়ে মোট ১৭ জন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি ISPR-এর। সূত্র বলছে, এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি কার্যকলাপ (Terror Activities) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তাই অভিযান আরও জোরদার (Security Crackdown) হতে পারে।
এদিকে ইসলামাবাদভিত্তিক গবেষণা সংস্থা Pakistan Institute for Conflict and Security Studies (PICSS)-এর রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সাল পাকিস্তানের জন্য ‘সবচেয়ে রক্তাক্ত বছর’। এ বছর ২,১১৫ জঙ্গি মারা গেছে, পাশাপাশি ৬৬৪ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৮০ সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে বিভিন্ন হামলায়।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ সহিংসতার ‘টেম্পো ও লেথালিটি’ (Tempo & Lethality) দুটোই আগের বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে, যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও শক্ত হাতে অভিযান (Military Action) চালাতে হবে। বিস্তৃত নিরাপত্তা কৌশল (Security Strategy) না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
