Suvendu Adhikari on CAA-NRC
Bengal Liberty Desk, ৫ জানুয়ারি, কলকাতা: নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে মতুয়াদের (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) মধ্যে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে ভোট-রাজনীতি (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)। এমনই অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)। আজ, সোমবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে মতুয়া সমাজ ও হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)।
মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)!
তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকে পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) একটি বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন, যাদের মধ্যে মতুয়া সমাজের মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এই সমাজকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভোটব্যাঙ্ক (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) হিসেবে ব্যবহার করে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)-

শুভেন্দু অধিকারীর কথায় (Suvendu Adhikari on CAA-NRC), মতুয়া সমাজের ইতিহাস ও আন্দোলন বহু পুরনো। ঠাকুর হরিচাঁদ ও ঠাকুর গুরুচাঁদ ঠাকুরের নেতৃত্বে এই সমাজ সংগঠিত হয়েছিল এবং নাগরিকত্বের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে। অতীতে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সরকার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করা হয়নি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) কার্যকর করে শরণার্থীদের নাগরিকত্বের মর্যাদা দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়িত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)।
তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) শুরু থেকেই CAA নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালিয়ে আসছেন এবং একে NRC ও ডিটেনশন ক্যাম্পের সঙ্গে জুড়ে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। এর ফলস্বরূপ ২০১৯ ও পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দেখা গিয়েছে। বাস্তবে CAA কার্যকর হওয়ার পর প্রমাণ হয়েছে যে এই আইনের সঙ্গে NRC বা ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও সম্পর্ক নেই এবং দেশের বিভিন্ন রাজ্যে আবেদনকারীরা ইতিমধ্যেই নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গেও হাজার হাজার আবেদন জমা পড়েছে এবং বহু মানুষ নাগরিকত্ব পেতে শুরু করেছেন।
বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) আরও বলেন, ভোটের সময় ঘনিয়ে এলেই আবার NRC-র ভয় দেখিয়ে মতুয়া সমাজ ও হিন্দু শরণার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ঠাকুরবাড়ির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে সমাজকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। বলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) ভূমিকাকে তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী মতুয়া সমাজের জন্মস্থান ওড়াকান্দিতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং শরণার্থীদের (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) সুরক্ষার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দুদের (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) উপর নির্যাতনের ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া বহু শরণার্থীকে (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) রাজ্য পুলিশ হয়রানি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র সরকার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে যে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ধর্ম ও প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আসা বাংলাদেশি হিন্দু শরণার্থীদের (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) কোনো রাজ্য পুলিশ হয়রানি বা জোরপূর্বক ফেরত পাঠাতে পারবে না। তিনি বলেন, CAA কার্যকর করা ও শরণার্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে মোদি সরকার (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) বাস্তবেই মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে।
মতুয়া সমাজ (Suvendu Adhikari on CAA-NRC) ও হিন্দু শরণার্থীদের বিভ্রান্ত করার যে রাজনীতি চলছে, ভারতীয় জনতা পার্টি তার তীব্র নিন্দা জানায় বলে জানান বিরোদী দলনেতা। বিজেপি ভবিষ্যতেও সনাতন হিন্দু সমাজ ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে বলে আশ্বাসও দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari on CAA-NRC)।
