Voter List on 28 February
Bengal Liberty , কলকাতা – ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশন(Voter list SIR West Bengal) ও নবান্নের (Nabanna) টানাপড়েন আরও এক ধাপ তীব্র হল। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বদলি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব(Voter list SIR West Bengal) দেওয়ার অভিযোগে এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Chief Secretary Nandini Chakraborty) কড়া ভাষায় চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে সেই চিঠিতে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়। বুধবারের মধ্যে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয় (Voter list SIR West Bengal)।

নির্বাচন কমিশনের (Voter list SIR West Bengal)তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার জন্য যাঁদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের বিষয়ে কমিশনকে (Voter list SIR West Bengal) না জানিয়েই রাজ্য সরকার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশনের(Voter list SIR West Bengal) অনুমতি ছাড়াই তিনজন আইএএস আধিকারিককে বদলি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

তিনজন আইএএস আধিকারিক(Voter list SIR West Bengal)
যে তিন আধিকারিককে ঘিরে এই বিতর্ক, তাঁরা হলেন অশ্বিনীকুমার যাদব, রণধীর কুমার এবং স্মিতা পাণ্ডে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অশ্বিনীকুমার যাদব (Ashwini Kumar Yadav) উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। রণধীর কুমার (Randhir Kumar) পর্যবেক্ষক হিসেবে দেখভাল করছেন উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর জেলা।পাশাপাশি, স্মিতা পাণ্ডে (Smita Pandey) পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার এসআইআর প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষক ছিলেন।
সম্প্রতি অশ্বিনী ও রণধীরকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং স্মিতা পাণ্ডেকে বদলির নির্দেশ জারি করে রাজ্য সরকার—যা নিয়েই আপত্তি তুলেছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে কমিশনের পূর্ব অনুমতি ছাড়া বদলি বা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া যায় না। সেই কারণে রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট নির্দেশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের অনুমতি নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
শুধু নির্দেশ জারি করেই থামেনি কমিশন। চিঠিতে পরিষ্কার করে বলা হয়, যে তিনজন আধিকারিককে বদলি করেছে নবান্ন, সেই বিজ্ঞপ্তি আজ অর্থাৎ বুধবারের মধ্যে বাতিল করতে হবে। কমিশনের নির্দেশ পালন করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার কথাও স্পষ্ট করা হয়। শেষ মুহূর্তে কী করবে নবান্ন তাই এখন দেখার।
