Amit Shah in Siliguri
Bengal Liberty:
একই দিনে রাজ্যের দুই প্রান্তে বিজেপির দুই কর্মী সম্মেলন ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah in Siliguri)। তবে বক্তব্যে ছিল স্পষ্ট ফারাক। শনিবার ব্যারাকপুরে (Barrackpore) অমিত শাহের ভাষণের কয়েক ঘণ্টা পরই শিলিগুড়িতে (Siliguri) পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তাঁর বক্তব্য আরও আক্রমণাত্মক রূপ নেয়। ‘বন্দে মাতরম’, বাম শাসনের তুলনা এবং রাজ্যের সামাজিক ঐক্য ভাঙার অভিযোগ ঘিরেই শিলিগুড়ির সভা থেকে তৃণমূল (TMC) ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেন শাহ।

‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শাহের বক্তব্যে (Amit Shah in Siliguri)
শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানের (Siliguri Air Force Moidan) কর্মী সম্মেলন থেকে অমিত শাহ দাবি করেন, সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনার সময় তৃণমূল কংগ্রেস তার বিরোধিতা করেছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তৃণমূলের এক সাংসদের কাছ থেকেই তিনি জানতে পেরেছেন, অনুপ্রবেশকারী ভোটব্যাঙ্ক অসন্তুষ্ট হতে পারে বলেই এই বিরোধিতা। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তাঁর কটাক্ষ, “ভোটব্যাঙ্কের জন্য বন্দে মাতরমের বিরোধিতা করছেন- লজ্জা করুন।”

আমিত শাহের কন্ঠে কমিউনিস্ট প্রসঙ্গ (Amit Shah in Siliguri)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করে শাহ বলেন, “মমতা দি-র যাওয়ার সময় এসে গেছে। আপনার থেকে কমিউনিস্টরাই ভালো ছিল।” তাঁর অভিযোগ, গোর্খা-বাঙালি, আদিবাসী-কুর্মীসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন তৈরি করে রাজ্যের সামাজিক ঐক্য ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তারপরই শাহ হুঁশিয়ারি দেন, “মমতাদি, আপনার সময় শেষ।”

তৃণমূলকে “সমূলে উৎখাত” করার ডাক (Amit Shah in Siliguri)
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলিগুড়ির সভা থেকেই তৃণমূল সরকারকে “সমূলে উৎখাত করার” ডাক দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাসকদলের ‘মা, মাটি, মানুষ’ স্লোগানকেও কটাক্ষ করেন তিনি। শাহের দাবি, রাজ্যে মহিলারা নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার এলেই খুশি হবেন প্রধানমন্ত্রী – শাহ
অমিত শাহ বলেন, গোটা দেশে বিজেপি ও এনডিএ-র ২১টি রাজ্যে সরকার আছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ৬০ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, বিজেপি কর্মীরা কি তা মেনে নেবে? উত্তরবঙ্গের কর্মীরা কি চুপ করে থাকবে? তাঁর মন্তব্য, “২১টি রাজ্যে সরকার গঠনের পরেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে হাসি ফুটবে।”

