Bengal liberty: তৃণমূলে যাচ্ছেন না সুব্রত ঠাকুর। খবরটি Bengal Liberty দায়িত্ব নিয়ে ব্রেক করছে। সুত্রের খবর রাজনৈতিকগতভাবে পারিবারিক সমস্যার জেরে সুব্রত এবং শান্তুনু ঠাকুরের মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিত তৈরি হয়েছে। সুব্রত ঠাকুরের আশঙ্কা, ২০২৬-এর নির্বাচনে তাঁর ভাই শান্তুনু চাইছেন নিজের স্ত্রীকে গাইঘাটা থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করাতে। একইসঙ্গে মতুয়া সমাজে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন শান্তুনু। সেই সূত্রেই উভয়ের মধ্যে সংঘাত। এবং, এই রাজনৈতিক আবহকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের স্বপ্ন সুব্রত ফুল বদলাচ্ছেন (Subrata Thakur)
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লেখা হচ্ছে, গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর তৃণমূলে যোগাদান করছে। এবং এই যোগদানের সম্ভবনা ৯৯ শতাংশ। অন্যদিকে, অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসভা সূত্রে খবর, পারিবারিক এই বিবাদ যাতে বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি না-করতে পারে, তার জন্য রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যে হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। সোমবার বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সুব্রত ঠাকুর। তৃণমূলে যাওয়ার প্রসঙ্গে গাইঘাটার বিধায়ক তাঁর ঘনিষ্ট মহলে জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যাওয়ায় কোনও সম্ভবনা নেই। তৃণমূল কংগ্রেস ডুবন্ত নৌকা। সেখানে যোগ দিলে তাঁর রাজনীতির ভবিষ্যত নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্ত, যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেটা পার্টির খতিয়ে দেখা উচিত।
ইতিমধ্যে, সুব্রতর পাশেই দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর এবং স্বয়ং বিধায়কের মা ছবিরানী ঠাকুর।
কয়েকদিন পর রাজ্যে SIR শুরু হবে। তার আগে CAA সংক্রান্ত কাজকর্মের জন্য ঠাকুর বাড়ির নাটমন্দিরে শিবির খোলা হয়। উদ্যোক্তা ছিলেন শান্তুনু ঠাকুর। এই নাট মন্দিরকে সামনে রেখে ধর্মীয় শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। সেই বিষয়টিকে সামনে রেখে দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সংশ্লিষ্ট শিবিরের বিরোধীতা করতে দেখা যায় সুব্রতকে।
বিধায়কদের জেঠিমা মমতাবালা ঠাকুর শান্তুনুর উদ্যোগকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। সুব্রতর অভিযোগ, শান্তুনু নিজের মা ছবিরানীকেও কুকথা বলতে বাদ বিন্দুমাত্র ভাবেননি।
আর এই অবস্থায় তৃণমূল ঘোলা জলে মাছ ধরার কৌশল অবলম্বন করছে। যদিও তৃণমূলের স্বপ্ন যে স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে, তা সুব্রত ঠাকুর ঘনিষ্ট মহলে জানিয়ে দিয়েছেন।
সু ব্রত এবং শান্তুনু মধ্যে এই সংঘাতের কি অবসান ঘটবে? না-কি এর রেশ ধরেই ঠাকুর পরিবারের অন্দরে আবার নতুন করে ভাঙন শুরু হবে, সে দিকেই তাকিয়ে আছেন মতুয়ারা।
