Humayun's Babri Masjid
Bengal Liberty: তিনি ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক। গত ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে বিতর্কের ঝড় তুলে দিয়েছেন হুমায়ুন কবির। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে গিয়ে হুমায়ুন বলেছিলেন, ‘টাকার অভাব হবে না’। নিজের সেই দাবিকেই এ বার সত্যি করার পথে হাঁটছেন তিনি!
রবিতে কত নগদ গোনা হল? Humayun’s Babri Masjid
বেলডাঙায় হুমায়ুনের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জন্য অনুদানের বাক্স প্রায় ভরে গিয়েছে। মসজিদ নির্মাণের জন্য একাধিক ট্রাঙ্ক এবং বস্তায় জমা পড়েছে অনুদান। জানা গিয়েছে, মোট ১১টি দানবাক্স বসিয়েছিলেন হুমায়ুন। সেগুলিতে বহু মানুষ নগদ টাকা দিয়েছেন। ১১টি বাক্সের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত চারটি বাক্স এবং একটি বস্তা খোলা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসে রাশি রাশি টাকা। হাত দিয়ে গুণতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল একাধিক ব্যক্তিকে। তাই টাকা গোনার জন্য শেষ পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরের রেজিনগরের বাড়িতে আনা হয় বিশেষ মেশিন। এদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে দানবাক্সের নগদ গণনার কাজ শুরু হয়। চলে রাত ১২টা পর্যন্ত।
অনলাইনে কত জমা পড়ল? Humayun’s Babri Masjid
তবে এখানেই শেষ নয় আরও আছে। নগদের পাশাপাশি, অনলাইনের মাধ্যমেও মসজিদ নির্মাণের জন্য অনেকে টাকা দান করেছেন। QR কোড স্ক্যান করে অনেকে অনুদান দিয়েছেন। সেখানে এখনও পর্যন্ত এসেছে ৯৩ লক্ষ টাকা। বাকি ৭টি দানবাক্সের গণনা আজ, সোমবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার যতজন গণনার কাজে হাত লাগিয়েছিলেন, তাঁরাই সোমবারও এই কাজ করবেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে টাকা গোনার প্রক্রিয়ার সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। সোমবার ফের গোনা চালু হলে আরও বাড়বে টাকার অঙ্ক, আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন।
এখন প্রশ্ন হল, কারা দিলেন এতো নগদ? কারাই বা পাঠালেন এই বিপুল পরিমাণ অর্থ? জানা গিয়েছে, মসজিদ নির্মাণের জন্য ভক্তদের কাছে অর্থ সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। তার পর থেকে অনুদান এসেই চলেছে। হুমায়ুনের দাবি, খোলা হাতে ভক্তেরা দান করছেন। অনুদানের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেই মত হুমায়ুন শিবিরের।
