2026 HS exam
Bengal Liberty Desk, ১০ ডিসেম্বর, কলকাতা: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় হতে চলেছে বড়সড় রদবদল।পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হবে ১০ মিনিট বেশি। ১০ মিনিট বেশি সময় দেওয়ার আবেদন জানিয়ে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব পাঠাল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বিকাশ ভবনের থেকে সবুজ সংকেত পেলেই উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় এবং চতুর্থ সেমেস্টারে (Supplimentery) এই নিয়ম চালু হবে বলে সূত্রের খবর। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে খবর, পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যাবে প্রশ্নপত্র। অর্থাৎ আগেভাগে প্রশ্নপত্র পেয়ে পড়ুয়ারা উত্তর লিখতে পারবেন। তবে বিকাশ ভবনের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছে শিক্ষা সংসদ।

১০ মিনিট বেশি সময় দেওয়ার আবেদনের কারন (2026 HS Exam)
প্রসঙ্গত এবারই প্রথমবার সেমেস্টারের ধাঁচে হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে। সেমেস্টারের পরীক্ষা ঘিরে উঠেছিল অভিযোগের ঢেউ। তৃতীয় সেমেস্টার পরীক্ষার সময় বিভিন্ন বিষয়ের পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন যে তাঁরা পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না।
বিশেষত হিসাবশাস্ত্র, রসায়ন ও অঙ্ক পরীক্ষায় সময়সঙ্কটে পড়েছিল বহু পড়ুয়া। তাদের দাবি, কিছু বিষয়ে অতিরিক্ত সময় না পাওয়ায় উত্তর লেখা অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। সেই চাপেই শিক্ষা সংসদ পরীক্ষার কাঠামোয় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে চূড়ান্ত তথা চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা। এই সেমিস্টারে সব প্রশ্নই বর্ণনামূলক। পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা। কিন্তু ৯.৫০-এ পরীক্ষার্থীর হাতে থাকবে প্রশ্নপত্র, যার ফলে প্রশ্নপত্র পড়ার বেশি সময় পাবে পরীক্ষার্থীরা।
শিক্ষা সংসদের সভাপতির মন্তব্য
শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন,পড়ুয়াদের দাবি বিবেচনা করে উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় এবং চতু্র্থ সেমেস্টার পরীক্ষায় ১০ মিনিট বাড়তি সময় দেওয়ার প্রস্তাব রাজ্যকে পাঠিয়েছে শিক্ষা সংসদ। তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময় বজায় রেখেই ছাত্রছাত্রীদের যাতে বাড়তি চাপ নিতে না হয়, তাই প্রশ্নপত্র আগেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত।”
পরীক্ষার দিনই দ্বিতীয় পর্বে নেওয়া হবে তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা, যা সম্পূর্ণ হবে ওএমআর-ভিত্তিক। দুপুর ১টা থেকে ২.১৫—এই সময় নির্ধারিত। এখানেও ১২.৫০-এ দেবে ওএমআর শিট, যাতে আগে থেকেই উত্তরপত্রের খুঁটিনাটি দেখে নিতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ ও অসুবিধার কথা চিন্তা করে শিক্ষা সংসদের এই পদক্ষেপ অনেকাংশেই পরীক্ষার্থীদের স্বস্তি দেবে বলেই আশাবাদী সকলে।
