Dual PIL filed at HC on Beldanga Violence
Bengal liberty Desk, ১৭ জানুয়ারি, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা (Journalists Attacked in Beldanga Violence) কার্যত আইনশৃঙ্খলাহীনতার প্রতীক হয়ে উঠছে। গতকাল, শুক্রবার আক্রান্ত হন জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতি (Journalists Attacked in Beldanga Violence) ও ওই সংবাদমাধ্যমের এক চিত্রসাংবাদিক। অথচ সেই ঘটনার পরেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যকর কোনও পুলিশি পদক্ষেপ (Journalists Attacked in Beldanga Violence) চোখে পড়েনি। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই এলাকায় আক্রান্ত হলেন এবিপি আনন্দের সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ (Journalists Attacked in Beldanga Violence) ও চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষ। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তাঁদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর করা হয় সংবাদমাধ্যমের গাড়িও (Journalists Attacked in Beldanga Violence)।
গতকাল, শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেও প্রশাসনের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা (Journalists Attacked in Beldanga Violence) দেখা যায়নি। তারই সুযোগ নিয়ে আজ, শনিবার সকালে বিক্ষোভকারীরা বেলডাঙা স্টেশন সংলগ্ন রেলগেটে তাণ্ডব (Journalists Attacked in Beldanga Violence) চালায়। ভেঙে ফেলা হয় গুরুত্বপূর্ণ রেল সিগন্যাল, যার জেরে জাতীয় পরিবহণ ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়ে এবং ট্রেন চলাচল ব্যাহত (Journalists Attacked in Beldanga Violence) হয়। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ঘিরেও তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা (Journalists Attacked in Beldanga Violence)।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, পরপর একই জায়গায় অশান্তি সত্ত্বেও পুলিশি প্রস্তুতির ঘাটতি স্পষ্ট (Journalists Attacked in Beldanga Violence)। প্রশ্ন উঠছে গতকালের ঘটনার পরেও কেন এলাকায় পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন (Journalists Attacked in Beldanga Violence) করা হয়নি? প্রশাসন কি ইচ্ছাকৃতভাবেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে ?
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Journalists Attacked in Beldanga Violence) গতকালই প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন (Journalists Attacked in Beldanga Violence)। তিনি একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, সাংবাদিকদের উপর হাত তোলা চলবে না। তা হলে প্রশ্ন উঠছে —এই নির্দেশ কি মাঠপর্যায়ে মানা হচ্ছে না? সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন, আর পুলিশ থাকছে অনুপস্থিত (Journalists Attacked in Beldanga Violence)। এই কি তৃণমূল সরকারের ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা’ (Journalists Attacked in Beldanga Violence)?
যে রাজ্যে সাংবাদিকরা নির্বিঘ্নে সত্য (Journalists Attacked in Beldanga Violence) তুলে ধরতে পারেন না, যেখানে সংবাদ সংগ্রহ করাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে সেই রাজ্যের প্রশাসনিক সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে (Journalists Attacked in Beldanga Violence)। বেলডাঙার ঘটনায় ফের স্পষ্ট, তৃণমূলের শাসনে রাজ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র দুটোই আজ চরম সংকটে (Journalists Attacked in Beldanga Violence)।
