Beldanga Journalist Attack
Bengal liberty Desk, ১৭ জানুয়ারি, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা শুক্রবার কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, যেখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের শিকার হন জি ২৪ ঘণ্টার মহিলা সাংবাদিক সোমা মাইতি (Beldanga Journalist Attack)। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে চুল ধরে টেনে, লাথি-ঘুষি মেরে হেনস্তা করা হয়। এই মুহূর্তে পাওয়া শেষ খবর অনুযায়ী, সাংবাদিক সোমা মাইতি (Beldanga Journalist Attack) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হলেও আশঙ্কামুক্ত, তবে শারীরিক ও মানসিক ধাক্কা বেশ গুরুতর। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।
হামলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা(Beldanga Journalist Attack)
হামলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে সোমা মাইতি (Beldanga Journalist Attack) জানান, দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি কখনও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক ব্যক্তি তাঁকে জোর করে টেনে নিয়ে যায়, চুল ধরে টানা হয়, জামাকাপড় ধরে হেনস্তা করা হয়। মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ(Beldanga Journalist Attack)।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কেউ তাঁকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি। স্থানীয় কয়েকজন মানুষ সাহায্য করতে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট(Beldanga Journalist Attack)
ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই শুক্রবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা। মৃতদেহ গ্রামে ফেরার পর জাতীয় সড়ক অবরোধ ও রেল অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। এবং তারপরই সুজাপুর–কুমারপুর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ। এর মধ্যেই শনিবার অর্থাৎ আজ সকাল থেকে ফের অশান্তি ছড়ায় এলাকায়। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ, রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় ভাঙচুর এবং দোকান লুটের অভিযোগ ওঠে।
শুভেন্দু অধিকারীর তীব্র আক্রমণ(Beldanga Journalist Attack)
এই ঘটনার পর তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন,
“পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই, শাসকের আইনই প্রতিষ্ঠিত। বেলডাঙায় পুলিশের সামনেই এক মহিলা সাংবাদিককে মারধর করা হয়েছে। সাংবাদিকের(Beldanga Journalist Attack) কাজ সত্য তুলে ধরা সেই কাজ করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।”
রাজ্যপালের প্রতিক্রিয়া(Beldanga Journalist Attack)
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এই ঘটনাকে “সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত” বলে উল্লেখ করেন। সাংবাদিকদের (Beldanga Journalist Attack) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজ্যের, আর এই ঘটনাগুলি সেই ব্যর্থতা স্পষ্ট বলে মত তাঁর।
মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা, তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে (Beldanga Journalist Attack)
অন্যদকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনার নিন্দা করে দোষীদের শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন এবং একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, সাংবাদিকদের(Beldanga Journalist Attack) উপর হাত তোলা চলবে না! কিন্তু সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, সোমা মাইতির(Beldanga Journalist Attack) উপর হামলার পর অর্থাৎ আজ শনিবার ঠিক একই এলাকায় আক্রান্ত হন ABP আনন্দের এক সাংবাদিক ও এক চিত্রসাংবাদিক(Beldanga Journalist Attack)। অর্থাৎ একদিন আগের ঘটনার পরেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ।
Zee-এর পর ABP,পরপর দুই সংবাদমাধ্যমের(Beldanga Journalist Attack) উপর হামলা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও একবার কাঠগড়ায় তুলেছে। যে রাজ্যে সাংবাদিকরা (Beldanga Journalist Attack) পুলিশি উপস্থিতির মধ্যেও নিরাপদ নন, সেখানে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কতটা সুরক্ষিত?বেলডাঙা সেই প্রশ্নটাই ফের সামনে এনে দিল।
