Abhishek Banerjee Press Conference
Bengal Liberty Desk, ৩ ফেব্রুয়ারি, দিল্লি: SIR ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন (Election commission) ও কেন্দ্রকে একযোগে পুনরায় কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(SIR Controversy West Bengal)। আজ, মঙ্গলবার দিল্লির বঙ্গভবনে (Bangabhaban) SIR আতঙ্কে মৃত(SIR Controversy West Bengal) বলে ঘোষিত পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বসে সাংবাদিক বৈঠক (Press conference) করলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। কালো পোশাকে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বসে তিনি অভিযোগ করেন, SIR- এর নামে বাংলায় “সুপার ইমার্জেন্সি” চলছে।

নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রকে একযোগে তোপ (SIR Controversy West Bengal)
মমতার দাবি, নির্বাচন কমিশনকে(SIR Controversy West Bengal) কাজে লাগিয়ে বিজেপি বাংলায় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষ বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত। যদিও এই অভিযোগ আজকের না, SIR পর্ব শুরুর পর থেকেই একযোগে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে(SIR Controversy West Bengal) তোপ দাগছেন নেত্রী।
গতকাল, সোমবার কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে মমতার অভিযোগ, তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, “চেয়ার ইজ নট পার্মানেন্ট, পিপলস ইজ পার্মানেন্ট। এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না।” ফাইনাল ভোটার তালিকায় গরমিল হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ইঙ্গিতও দেন তিনি।

ভোটার তালিকায় AI অপব্যবহারের দাবি (SIR Controversy West Bengal)
SIR প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে মমতার অভিযোগ, কমিশন AI-এর অপব্যবহার করছে। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপিন্সি’র (Logical discrepancy) নামে জীবিত মানুষকে মৃত দেখানো হচ্ছে(SIR Controversy West Bengal), বহু যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ছে। দু’বছরের কাজ কেন দু’মাসে করা হচ্ছে-এই প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, ‘এতে সাধারণ মানুষ ও বিএলও- দু’পক্ষই হয়রানির শিকার হচ্ছে।’

কেন্দ্র ও কমিশনকে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ (SIR Controversy West Bengal)
কেন্দ্র ও কমিশনকে একযোগে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, দিল্লির জমিদাররা ভোটারের অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, “রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকলে তা করুক কেন্দ্র।” সাংবাদিক বৈঠকের শেষে ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী সুরে মমতা বলেন, “আবার জিতে ফিরবেন। তবে সেই জয়ের উৎসব দিল্লির লাড্ডু নয়-বাঙালির মিষ্টিতেই হবে।”
তবে প্রশ্ন হল, SIR প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই বিরোধিতা করে এসেছেন বাংলার শাসক শিবির। এক এক করে ৬ টি চিঠি পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে, অতঃপর ভোটের আগে দিল্লিতে বসে মমতা ও তৃণমূলের এই প্রতিবাদ কতটা খাটবে? নাকি ভোটের আগে চেনা সুরে গলা মেলাতেই পুনরায় এই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে ঘাসফুল শিবির? বিভ্রান্তের রাজনীতি? নাকি সহানুভূতির চেষ্টা দিয়ে ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর চেষ্টা? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
